Nilphamari mapসৈয়দপুর তুলশীরাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির বয়স চলছে ১০১ বছর। শহরে নারীদের শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে এ প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯১৪ সালে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ স্কুলটির অত্যন্ত চমক প্রদ ফলাফল করে আসছে। সম্প্রতি দলিল মুলে এ প্রতিষ্ঠানের ১.৪ শতক জায়গা স্কুলের পাশে বের হয়। যার খতিয়ান নং- ২২১৩ ও দাগ নং- ৮২৮৮। যা অনেক দিন ধরে অন্যের দখলে ছিল। ওই জায়গাটির বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১০ লাখ টাকা হবে বলে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে জানা যায়। ওই জায়গাটি সম্প্রতি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের দখলে নেয়। কিন্তু জায়গাটি দখলে নেয়ার পর থেকে তা অন্যের নিকট বিক্রি করার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে এমন কথা শহর জুড়ে কানাঘুষা চলছে। এরই মধ্যে গত ২৫ আগষ্ট ওই জায়গাটুকু প্রাচীর দিয়ে ঘিরে নেয়ার চেষ্টা করে শহরের বিশিষ্ট ডাল ব্যবসায়ী আফতাব উদ্দিন। প্রাচীর দিয়ে কাজ করতে দেখে বিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক তাতে বাঁধা দেয় এবং বিষয়টি সৈয়দপুর থানায় অবহিত করে। পর দিন ২৬ আগষ্ট বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সৈয়দপুর থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়। এর পর বিকেল বেলায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রাচীর দেয়াল ভেঙ্গে দিয়ে জায়গাটুকু তাদের দখলে নেয়। কেন বিদ্যালয়ের জায়গা প্রাচীর দিয়ে ঘিরে দখলে নেয়া হচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে ডাল ব্যবসায়ী আফতাব উদ্দিন জানান, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জায়গাটি বিক্রির জন্য আমার কাছ থেকে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা গ্রহণ করেছে। আরও ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা তাদের দাবী আছে। তাই জমিটি আমি নিজ দখলে নেয়ার জন্য প্রাচীর দেই। এদিকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রশিক্ষণের জন্য ছুটিতে থাকায় দায়িত্বে থাকা শিক্ষিকা লতা বেগম জানান, আমরা বিদ্যালয়ের জায়গা বিক্রি করতে পারি না। আমাদের পক্ষ থেকে কারা টাকা নিয়ে জায়গা তাদের দখলে দিতে চাইছে এ বিষয়ও আমার জানা নেই। অপরপাশে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ফিরোজ উদ্দিন ফেরাজ জানান, বিদ্যালয়ের জায়গার সুরাহা টানতে বিষয়টি পৌর মেয়র মো. আমজাদ হোসেন সরকারকে অবহিত করা হয়েছে। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন এ বিষয়ে বসে আলোচনা করে সমাধান টানা হবে। এরই মধ্যে আবার জায়গার দখল নিয়ে সৃষ্টি হয় বিশৃঙ্খলা। শহরে কানাঘুষা চলছে প্রতিষ্ঠানের জায়গা বিক্রির বিষয়টি। তবে শহরের সচেতন মহল জানতে চায় কারা প্রতিষ্ঠানের জায়গা বিক্রির সাথে জড়িত।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য