পানিবন্দিকুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি ধীর গতিতে কমতে শুরু করেছে। ধরলা, তিস্তা, ব্রক্ষপুত্র, দুধকুমোর সহ ১৬টি নদ-নদীর পানি বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ধরলা নদীর পানি বিপদ সীমার মাত্র ৫ সেঃ মিঃ নিচ দিয়ে প্রবাতিহ হচ্ছে। জেলার  সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির  কিছুটা উন্নতি হলেও মানুষের দুর্ভোগ কমেনি।  নদ-নদী গুলোর পানি কমে যাওয়ায় শুরু হয়েছে ভাঙ্গন। জিঞ্জিরাম নদীর তীব্র ¯্রােতে রৌমারীর সুতির পাঠ গ্রামের ১০টি বাড়ি ভেঙে গেছে।

রৌমারী শৌলমারী সড়কের সুতিরপাড় ও বাবুনের চর নামক স্থানে প্রায় এক কিলোমিটার পাকা  রাস্তা ভেঙে গেছে। এতে নওদাপাড়া, নূতন বন্দর, ব্যাপারীপাড়া, খাটিয়ামারী, রতনপুর, মোল্লারচর, বোল্লাপাড়া, বাবনেরচর, মন্ডলপাড়া এলাকার কয়েক হাজার মানুষ নতুন  করে পানি বন্দি হয়ে পড়েছে। শৌলমারী ইউনিয়নের  জিঞ্জিরাম নদীর তীব্র স্রোতে গত ২৪ ঘন্টায় চেংটাপাড়া বাঁধের ২শ৫০ ফুট, চরের গ্রামে ১শ ৫০ ফুট, এবং সুতিরপার এলাকায় ১শত ফুট ভেঙ্গেছে। এই ইউনিয়নে ৭টি বাশের সাকোঁ বন্যার পানির তীব্র ¯্রােতে ভেসে গেছে। শৌলমারী উচ্চবিদ্যালয় ,চর বোয়ালমারী, চরেরগ্রাম, গয়াটারপাড়া বাঁধের রাস্তায় আশ্রিত বন্যার্তরা এখনও বাড়িতে ফিরতে পারেনি।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য