Jail 3মো. জাকির হোসেন, সৈয়দপুরঃ নীলফামারীতে একটি প্রতারণা মামলায় খোরশেদ আলম নামে এক ঠিকাদারকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। চেক জালিয়াতির মামলায় আদালতে সাজাপ্রাপ্ত হয়ে দুই বছর পলাতক থাকার পর সোমবার বিকেলে নীলফামারী জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালতের বিচারক জুডিশিয়াল ম্যাজিস্টেট মো. সামিউল ইসলাম তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। খোরশেদ আলম রংপুর জেলা শহরের নুরপুর আলম নগরের আলম কনস্ট্রাকশনের স্বত্তাধিকারী ও একই মহল্লার মৃত. মফিজ উল্লাহর ছেলে।

মামলার সূত্র মতে, রংপুরের আলম কনস্ট্রাকশনের নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্টানের স্বত্তাধিকারী মো. খোরশেদ আলম ২০০৬ সালের ৪ জুন নীলফামারী শহরের উত্তরা মিলস নামের একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান থেকে ২৮০ ড্রাম বিটুমিন ক্রয় করে মূল্য পরিশোধ বাবদ রংপুরের ক্রেডিট এন্ড কমার্স ব্যাংক লিমিটেডে চার লাখ ৫০ হাজার টাকার একটি চেক প্রদান করেন উত্তরা মিলসকে। উত্তরা মিলস এর স্বত্তাধিকারী সুজিত কুমার চক্রবর্তী খোরশেদ আলমের দেওয়া চেকের ব্যাংক হিসাব থেকে তিন দফায় চেষ্টা করে টাকা তুলতে ব্যর্থ হন।

পরে তিনি ২০০৯ সালের ৮ মার্চ নীলফামারী জ্যেষ্ট জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেড আদালতে মামলা দায়ের করেন। ওই আদালতের তৎকালিন বিচারক মোছা. আরিফা ইয়াসমীন মুক্তা ২০১৩ সালের ৫ মে চেক প্রতারণার মামলায় ওই ঠিকাদারকে তিন বছরের সশ্রম কারাদন্ড, পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন।

আদালতের রায়ের দুই বছর পলাতক থাকার পর ঠিকাদার খোরশেদ আলম সোমবার বিকেলে আদালতে আত্মসমর্পন করে জামিন প্রার্থনা করলে আদালতের বিচারক মো. সামিউল ইসলাম জামিন না মঞ্জুর করে ঠিকাদারকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বাদি পক্ষের কৌশলী মো. হুজুর আলী বলেন, ঠিকাদার খোরশেদ আলম তার বন্ধ থাকা একটি ব্যাংক হিসাবের চেক প্রদান করে প্রতারণা করেছেন। ২০১৩ সালে আদালতে বিষয়টি প্রমানিত হলে তৎকালিন বিচারক তাকে তিন বছরের সশ্রম কারাদন্ড, পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন।  আদালতের রায়ের পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। রোববার বিকালে আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিচারক তাকে সাজা ভোগের জন্য কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য