‘পেনাল্টি–দুঃখে’ লিগ শুরু মেসিরম্যাচের ৩০ মিনিটের সময় সুয়ারেজকে বক্সের মধ্যে ফেলে দেন অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের ডিফেন্ডার গোরকা ইলোসতোন্দো। সান মামেসে উপস্থিত দর্শকদের দুয়োধ্বনির মধ্য দিয়ে রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান বার্সেলোনার পক্ষে। কিন্তু এবার দুয়োধ্বনির সঙ্গে যুক্ত হয় বিলবাও সমর্থকদের আনন্দ-উল্লাস। কারণ লিওনেল মেসির শট ততক্ষণে ফি​রিয়ে দিয়েছেন গোলরক্ষক গোরকা ইরাইজজ।

ক্যারিয়ারের ১৪তম পেনাল্টি মিসের দিনে মেসি ছিলেন নিষ্প্রভ। কিন্তু আক্রমণভাগে তাঁর সতীর্থ লুইস সুয়ারেজ ঠিকই কাজের কাজটা করেছেন। তাঁর গোলেরই লা লিগায় নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্প্যানিশ সুপার কাপে হারের মধুর প্রতিশোধটা নিয়ে নিয়েছে লুইস এনরিকের দল।

সুপার কাপের অভিজ্ঞতা থেকেই কিনা, কাল বার্সেলোনার একাদশ নিয়ে কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষায় যাননি কোচ এনরিকে। বহিষ্কৃত জেরার্ড পিকে ছিলেন না। মাম্পসে আক্রান্ত নেইমার সুস্থ হয়ে উঠলেও ম্যাচ ফিটনেস না থাকায় তাঁকে মাঠে নামানো হয়নি।

৩০ মিনিটে প্রাপ্ত পেনাল্টিটি ছিল বার্সেলোনার হয়ে মেসির নেওয়া ৬৩তম স্পটকিক। কিন্তু তাঁর শটটি ডান দিকে ছাপিয়ে পড়ে দারুণ ভঙ্গিতে রক্ষা করেন বিলবাও গোলরক্ষক ইরাইজজ।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে জর্দি আলবার ক্রস থেকে বিলবাওয়ের জাল খুঁজে নেন লুইস সুয়ারেজ। নতুন মৌসুমে বার্সেলোনার শুভ সূচনায় অবদান রাখতে পেরে অসম্ভব তৃপ্ত এই উরুগুইয়ান স্ট্রাইকার। ম্যাচ শেষে তিনি বলেছেন, ‘লিগের শুরুর জয়গুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ কারণ এই জয়গুলো লিগ লড়াইয়ে সুবিধা এনে দেয়।’ লিগের প্রথম ম্যাচেই ন্যূনতম ব্যবধানে জয়। বিলবাওয়ের বিপক্ষে এই কষ্টার্জিত হয়ে মেসি ছিলেন তাঁর ছায়া হয়েই।

দলও যে খুব ছন্দময় খেলা খেলেছে, তা বলা যাবে না। কিন্তু সুয়ারেজের কাছে এগুলোকে আপাতত কোনো সমস্যাই মনে হচ্ছে না, ‘আসল কথা হচ্ছে আমরা লিগের প্রথম ম্যাচেই পূর্ণ পয়েন্ট পেয়েছি। আমাদের মাঠে অপেক্ষা করতে হয়েছে জয়ের এই সুযোগটি তৈরি করার জন্য।’ সূত্র: রয়টার্স।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য