তেঁতুলিয়ায় পানির অভাবে আমন লাগাতে পারেনি চাষীরাবাংলা বছরের ছয়টি ঋতুর মধ্যে আষাঢ়-শ্রাবণ মাস বর্ষাকাল। বর্ষা ঋতুর শেষ দিকেও তেঁতুলিয়ায় পানির অভাবে আমন লাগাতে পারেনি চাষীরা। কৃষি বিভাগের তথ্য মতে তেঁতুলিয়ায় মোট আবাদি জমির পরিমাণ ১৬ হাজার ৮২ হেক্টর। এবছর আমন রোপনের লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ১১ হাজার ৭শত হেক্টর।  ইতোমধ্যে  ১২হাজার হেক্টর জমিতে আমন রোপা লাগানো হয়েছে।

সরেজিমন খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে এখনো যেসমস্ত জমিতে আমন রোপা লাগানো হয়েছে সেগুলো এখন বৃষ্টির অভাবে পুড়ে গেছে। তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা, তিরনইহাট, শালবাহান, বুড়াবুড়ি, ভজনপুর ও দেবনগর, ইউনিনের অনেক উঁচু জমি সহ দর্জিপাড়া ও সারিয়ালজোত এলাকার অনেক চাষী আমন রোপা লাগাতে পারেনি।

তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের মাগুড়া গ্রামের বর্গা চাষী আবদুল লতিফ জানান- এবার বৃষ্টির অভাবে আমন মৌসূমে ৯ বিঘা জমির মধ্যে ৫ বিঘা জমিতে রোপা লাগাতে পারিনি। এ ছাড়া যতটুকু জমিতে আমন রোপা লাগানো হয়েছে তাও পানির অভাবে খরায় জমি ফেটে চারাগুলো মরে যাচ্ছে। এই চার বিঘা আমন ক্ষেতের রোপা বাঁচাতে যে পরিমাণ সেচ দিতে হয় তাও সম্ভাব হচ্ছে না।

আজিজনগর গ্রামের চাষী জুলফিকার আলী জুয়েল জানান বৃষ্টির অভাবে আমি ১০ বিঘা জমিতে আমন রোপা লাগাতে পারিনি। প্রাকৃতিক আবহাওয়ার বিরুপ প্রভাবের কারণে বর্ষা মৌসূমে পানি না হওয়ায় জীব বৈচিত্রের উপর নানামুখী প্রভাব পড়ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে প্রাকৃতিক দূর্যোগ।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জাহাংগীর আলম জানান অনেক চাষী আছেন যাঁরা ক্ষেতে পুরোদমে বৃষ্টি হলে রোপা লাগান। এই ধরনের অনেক চাষী এখনো আমন রোপা না লাগিয়ে জমি পতিত রেখেছে। তবে কি পরিমাণ জমিত বিরুপ আবহাওয়ার কারণে আমন লাগাতে পারেনি এর সঠিক পরিসংখ্যান কৃষি অফিসে পাওয়া যায়নি।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য