Mobile vedioফুলবাড়ি, দিনাজপুর সংবাদাতাঃ  দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে তরুণীকে ধর্ষণ করতে ব্যর্থ হয়ে তার নগ্ন ভিডিও চিত্র ইন্টারনেটে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগে গত শনিবার মেহেদী হাসান (৩০) নামের এক যুবককে আটক করে থানা পুলিশ। মেহেদী হাসান পৌর শহরের চকচকা মধ্যপাড়া গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে।

জানা যায়, মেহেদী হাসান ঢাকায় চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে দরিদ্র পরিবারের কলেজ পড়–য়া ঐ তরুণীকে কয়েক মাস আগে ঢাকায় নিয়ে যায়।

সেখানে ভাড়া করা একই ঘরে রেখে মডেলিং করার কথা বলে বিভিন্ন ছোট পোশাক পড়ানোর নামে তরুণীকে উলঙ্গ করে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ভিডিও চিত্র ধারণসহ ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। পরে ঐ তরুণীর ধারণকৃত নগ্ন ভিডিও চিত্র ইন্টারনেটে ছেড়ে দেয় মেহেদী হাসান।

পরিবারের লোকজন ইন্টারনেটে মেয়ের নগ্ন ভিডিও চিত্র দেখতে পেয়ে গত শনিবার (৮ আগস্ট) থানা পুলিশ ও ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে অভিযোগ দেয়। ঐদিন সকালেই পুলিশ মেহেদী হাসানকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

মেহেদী হাসানকে থানার আনার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত এলাকার বিভিন্ন ব্যক্তিরা বিষয়টি আপোষরফাসহ মেহেদী হাসানকে ছাড়িয়ে নেয়ার জন্য দেনদরবার শুরু করে। দফায় দফায় চলে বৈঠক। শেষতক মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে আপোষরফা হওয়ায় ঐ রাতেই থানা থেকে মুক্ত হয় মেহেদী হাসান।

আপোশ রফা বৈঠকের সিদ্ধান্তানুযায়ী ঐ তরুণীকে ঐ রাতেই তার নানার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়ার ব্যবস্থাও করা হয়।

ওয়ার্ড কাউন্সিলর আতাউর রহমান বলেন, বিষয়টি গ্রামের। মেয়েটি অবিবাহিত। আবার ছেলেটি বিবাহিত। ছেলে অবিবাহিত হলে বিয়ের ব্যবস্থা করা যেতো। কিন্তু সেটি হচ্ছে না।

তাই মেয়ের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে সাবাইকে মেনেজ করে ছেলেকে একটি বড় ধরনের অর্থদন্ড দিয়ে সবকিছু মিটমাট করে ফেলা হয়েছে।
এ ব্যাপারে ঐ তরুণীর ০১৮৪০ ৫১০৮৩২ নম্বর মুঠোফোনে কথা বললে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

থানার ওসি মোস্তাক আহম্মেদ বলেন, অনেক রাত পর্যন্ত ঐ তরুণীকে নিয়ে এসে কথা বলা হয়েছে। প্রথমে অভিযোগ দিতে রাজি হলেও পরে আর অভিযোগ না দেয়ায় আটক মেহেদী হাসানকে ঐ রাতেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য