Arr 12ঘোড়াঘাট সংবাদাতাঃ অবশেষে ঘোড়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.শামসুর রহমান কাজল প্রথম স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় জেল হাজতে গেলেন।

গত মঙ্গলবার লক্ষীপুর জেলা আদালতে স্ত্রী ফাহমিদা ইয়াছমিনের দায়ের করা যৌতুক মামলায় জামিন নিতে গেলে বিচারক ইব্রাহীম মিয়া তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ডা. শামসুর রহমানের স্ত্রী ফাহমিদা অভিযোগ করেন,২০০৬সালে তাদের বিয়ে হয়। তাদের ৫ বছরের একটি ছেলেও আছে। বিয়ের পর থেকেই তার স্বামী বিভিন্ন নারীর সাথে অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি তিনি জানতে পারেন।

২০১২ সালে তার স্বামী দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগদান করার পর থেকে প্রথম স্ত্রীর কোজ খবর নেয়া বন্ধ করে দেন। সর্ব শেষ এ বছরের জানয়ারীতে ডা. শামসুর রহমান স্ত্রীর কাছে যৌতুক বাবদ ৫ লক্ষ টাকা দাবি করেন। যৌতুক না দিলে তিনি ফাহমিদার সাথে সংসার করবেন না বলেও হুমকি দেন।

এদকিে দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট উপজেলা হাসপাতালের কর্মকর্তা ডাঃ শামছুর রহমান কাজল এর বিরুদ্ধে বাদী আবিদা সুলতানা শিলার সাথে প্রেমের সর্ম্পক গড়ে তুলেন। এক বছর প্রেমের পর গত ৩১.০৫.১৫ইং তারিখ রংপুর এসে ৬নং ওয়ার্ড নিকাহ্ রেজিষ্টার কাজী আবু তাহের মিয়ার অফিসে বিয়ে সর্ম্পণ করেন।

বিয়ের ৩ দিন পর গত ৩.৬.১৫ইং তারিখ বাদী শিলা স্বামী কাজলকে চাপ দেয় তার বাড়ীতে নিয়ে যাওয়ার জন্য। এক পর্যায়ে ডাঃ কাজল মোটা অংকের যৌতুক দাবি করে শিলাকে মারপিট করে। এঘটনা শিলা জেলা দিনাজপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামলা করে যার মামলা নং ৪২২/১৫।

উক্ত মামলাটি সরেজমিনে তদন্ত করে প্রতিবেদন/রিপোর্ট দেওয়ার জন্য ঘোড়াঘাট উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তার উপর দাযিত্ব প্রদান করেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা বাদীকে গত ২২ জুলাই স্বাক্ষীসহ হাজির হওয়ায় জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। মামলার স্বাক্ষী বাদীর মাতা যথানিয়মে স্বাক্ষীর লিখিত জবানবন্দীসহ সহি স্বাক্ষর করে তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট প্রদান করেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্তের বিগ্নসৃষ্টি হওয়ায় মামলাটি বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করেন।

ডাঃ কাজলের ১ম স্ত্রী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে লক্ষীপুর আদালতে একটি মামলা রুজু করেন। বিজ্ঞ আদালতে আসামী ডাঃ কাজল মামলার হাজিরা দিতে গিয়ে বিজ্ঞ আদালতের বিচারক ইব্রাহীম আসামী ডাঃ কাজলকে গতকাল মঙ্গলবার জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য