পঞ্চগড়ের ছিটমহলেপঞ্চগড় সংবাদাতাঃ বাংলাদেশ-ভারত যৌথ উদ্যোগে পঞ্চগড়ের ৩৬ টি ছিটমহলে ইতমধ্যে জনগণনার কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু ছিটমহল বিনিময়ের কয়েকদিন আগে পঞ্চগড়ের ছিটমহলগুলো থেকে আবারো নতুন করে ভারতে যাওয়ার জন্য ৫৯ জন নিবন্ধন করেছেন। বৃহস্পতিবার বিশেষ ব্যবস্থায় তারা ভারতে যাওয়ার জন্য নির্ধারিত ফরম পূরণ করেন।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত ৬ জুলাই থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত পঞ্চগড়ের ছিটমহলগুলোতে  ভারত-বাংলাদেশের যৌথ জনগণনার কাজ পরিচালিত হয়। হেডকাউন্টিং পঞ্চগড় জেলা প্রশাসনের তত্তাবধানে জেলার ৩৬টি ছিটমহলে ১৮টি ক্যাম্পের মাধ্যমে গণনার কাজ পরিচালনা করা হয়। এর মধ্যে ভারতে যাওয়ার জন্য ৪৬৭ জন আবেদন করে। হেডকাউন্টিং এর শেষ দিন ১৬ জুলাই এর পরে আরো ১৬টি পরিবারের ৫৯ জন ভারতে যাওয়ার জন্য পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক এর  বরাবর আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ বৃহস্পতিবার (৩০জুলাই) দুপুরে পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার অভ্যন্তরে অবস্থিত কোটভাজনী ছিটমহলের নতুন হাজীর হাট এলাকায় অস্থায়ী ক্যাম্পে ভারতে যাওয়ার জন্য নতুন ভাবে যারা আবেদন করছিলেন তাদের যাচাই বাছাইসহ মতামত নেওয়া হয় ।

এ সময় বাংলাদেশের পক্ষে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট মোহাম্মদ গোলাম আজম , দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সফিকুল ইসলাম ও ভারতের পক্ষে ছিলেন ভারতের কুচবিহার জেলার ডেপুটি ম্যাজিষ্ট্রেট সৌমিন দত্ত ও ডেপুটি কন্ট্রলার অচিন্ত সিনহা।

ভারতের কুচবিহার জেলার ডেপুটি ম্যাজিষ্ট্রেট সৌমিন দত্ত জানান, যৌথ গণনার পর যারা ভারতে যাবার জন্য আবেদন করেছিলেন তাদের সাথে সরাসরি কথা বলা হয়েছে। তারা ভারতে যেতে চায় কিনা। তবে এখন যাওয়া না যাওয়ার ব্যাপারে সিন্ধান্ত নিবেন উভয় দেশের সরকারের নীতি নির্ধারকেরা।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য