Posted on 30 November 2011. Tags: দিনাজপুরে ২১ হাজার হেক্টর জমিতে গম চাষে ল্যমাত্রা নির্ধারন
স্টাফ রিপোর্টার (দিনাজপুর নিউজ ডট কম) ॥ দিনাজপুর জেলার ১৩টি উপজেলায় এবাবের চলতি মৌসুমে ২১ হাজার ৫২১ হেক্টর জমিতে গম চাষের ল্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে। ল্যমাত্রা অনুযায়ী উৎপাদন হবে ৬২ হাজার ৪১১ মেট্টিক টন গম।
দিনাজপুর কৃষি অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আনোয়ারুল আলম জানান, চলতি মৌসুমে জেলায় গম চাষ কার্যক্রম শুরু হয়ে গেছে। গত অক্টোবর মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে জেলার উচুঁ এলাকার জমির ধান সহ অন্যান্য ফসল কর্তনের পর ওই জমিতে পুণরায় গম চাষ করা হচ্ছে। এই ল্যে কৃষকেরা উচ্চ ফলনশীল গমের বীজ বোপনের উপর গুরুত্ব দিচ্ছে। গত বছর জেলায় উন্নত জাতের গম কাঞ্চন, সতাব্দী, গৌরব, সৌরব, প্রদিপ, ঝলক ও সোনালিকা জাতের বীজ বোপনে কৃষকদের উৎসাহ বেশি দেয়া হচ্ছে। উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের মাঠ কর্মকতাগণ চাষীদের উন্নত জাতের ও উচ্চ ফলনশীল গম বীজ বোপনে সার্বণিক সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে। গম চাষীদের বিএডিসি সংরতি ভাল মানের বীজ ক্রয়ে পরমার্শ দেয়া হচ্ছে। ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত জেলার ১৩টি উপজেলার ১০১টি ইউনিয়নের উচুঁ ও নদীর জেগে উঠা চরের জমিতে সাড়ে ১১ হাজার হেক্টর জমিতে গম বীজ বোপন করা হয়েছে। আমন ধান কর্র্তনের পর মাঝারি ও নিচু জমিতেও গম বীজ বোপন করা হবে। অনুকূল আবহাওয়া ও সুষ্ঠু পরিবেশ থাকলে ল্যমাত্রা অতিরিক্ত গম চাষ অর্জিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গমের বাম্পার উৎপাদনের জন্য সেচ যন্ত্র সচল রাখতে বিদ্যুৎ এবং ডিজেলা চালিত গভীর ও অগভীর নলকূপগুলো চালু রাখা হয়েছে। নিরাবিচ্ছন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় সেচ কাজে সহায়তা দিতে সংশ্লিষ্ট এলাকার পল্লী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সাথে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। গম চাষে প্রয়োজনীয় রাসায়নিক সার ও কীটনাশক সরবরাহ পর্যাপ্ত রয়েছে।
এবারে জেলায় ২১ হাজার ৫২১ হেক্টর জমিতে গম চাষের ল্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। উৎপাদন ল্যমাত্রা নির্ধারন করা হয় হেক্টর প্রতি ২দশমিক ৯০ মেট্টিক টন গম। ল্যমাত্রা অনুযায়ী গম অর্জিত হলে উৎপদন হবে ৬২ হাজার ৪১১ মেট্টিক টন। গত অক্টোবর মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে গম বোপন শুরু হয়ে আগামী ৩১ ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত গম চাষ অব্যাহত থাকবে। এখন যে সব জমিতে রবি শস্য সরিষা, বিভিন্ন ধরনের ডাল ও আলু রয়েছে, ওই সব জমির রবি শস্য উঠার পর পুনরায় কৃষকেরা অতিরিক্ত ফসল হিসাবে গম চাষ করতে পারবে। সে ল্যেই কৃষি অধিদপ্তর কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে।
সূত্রটি জানায়, গত বছর জেলা ২১ হাজার ৬০৫ হেক্টর জমিতে গম চাষ অর্জিত হয়েছিল। উৎপাদন হয়েছিল ৬২ হাজার ৬৫৫ মেট্টিক টন গম। বাজারে পর্যাপ্ত গমের চাহিদা থাকার কারণে গত বছর গম মাড়াইয়ের পর ৮শ থেকে ৯শ টাকা মন দরে বিক্রি হয়েছে। চলতি বছর গমের যথেষ্ট চাহিদা থাকবে এবং উৎপাদিত গমের মূল্য কৃষকেরা ভাল পাবে। অনুকুল আবহাওয়া এবং কোন প্রাকৃতিক দূযোর্গ সৃষ্টি না হলে ল্যমাত্রার অতিরিক্ত গম অর্জিত ও উৎপাদন হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।
Posted in অর্থনীতি, কৃষি, জেলার খবর
Posted on 25 November 2011. Tags: ঠাকুরগাঁওয়ে ধানের েেত বধূর মায়া
ঠাকুরগাঁও (দিনাজপুর নিউজ ডট কম) ॥ ঠাকুররগাঁওয়ে চলছে আমন ধান কাটার মওসুম। ব্যস্ত কৃষকেরা। একেবারেই ফুরসত নেই। বাড়িতে এসে খাবার খেলো।
ঠাকুরগাঁওয়ে চলছে আমন ধান কাটার মওসুম। ব্যস্ত কৃষকেরা। একেবারেই ফুরসত নেই। বাড়িতে এসে খাবার খেলে পাছে কাজ পিছিয়ে যায় এই ভেবে কিলোমিটার খানেক পথ পাড়ি দিয়ে স্বামীর জন্য খাবার বয়ে এনে পাশে বসে খাওয়াচ্ছেন এক বধূ। ছবিটি ঠাকুরগাঁওয়ের সদর উপজেলার মাটিগাড়া গ্রাম থেকে তোলা খেতজুড়ে পাকা আমন ধান। উজ্জ্বল রোদে সোনার ঝিলিক খেলে নুয়ে পড়া পুষ্টু ধানের শিষে। সে দৃশ্যে খুশির আভা ফোটে কৃষকের চোখেমুখে। কাস্তের টানে মুঠি মুঠি কাটে ধানগাছ। কৃষকের রোদে পোড়া দেহের ঘামঝরা কষ্ট একসময় চাগিয়ে তোলে খিদে। কিন্তু বাড়ি গিয়ে খেয়ে আসার ফুরসত কোথায় ? তবে তাঁর বধূটি ঠিকই জানে কখন একফাঁকে স্বামীকে খাইয়ে আসতে হবে।
সোমবার বেলা ১১টার দিকে ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল উপজেলার মাধবপুর গ্রামে এমন এক বধূর দেখা মেলে। সাধনা রানী নামের এই গাঁয়ের বধূ স্বামীর জন্য খাবার নিয়ে যাচ্ছিলেন। বাড়ি থেকে খেতের দূরত্ব এক কিলোমিটার তো হবেই। মাথায় খাবারের পোঁটলা নিয়ে খেতের আইল ধরে যাচ্ছিলেন সাধনা। হাতে পানিভরা জগ। আলাপ করার চেষ্টা করতেই সাধনা মৃদু হেসে বললেন, ‘ধানের খেতত স্বামীর জন্যি খাবার নিয়ে যাচ্ছি। হামার তাড়া আছে। কথা বলতি হলে মাঠে চলো।’ চপল পায়ে এগিয়ে চলা বধূটির সঙ্গে খেতে গিয়ে দেখা গেল, ধান কাটায় ব্যস্ত একদল কৃষক। সাধনার সাড়া পেয়ে কাজ ফেলে উঠে এলেন স্বামী সুসেন্দ্র নাথ। খেতেই একচিলতে ফাঁকা জায়গায় বসে গেলেন তিনি। স্বামীর জন্য সযত্নে খাবার সাজালেন সাধনা। হাপুস-হুপুস করে খেতে লাগলেন স্বামী। শিগগিরই আবার কাস্তে চালাতে হবে।
সুসেন্দ্র নাথ জানান, ১৯৮৬ সালে বিয়ে করেছেন তাঁরা। তিন ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে সংসার। খেতে মজুরি খেটে জীবিকা চালাতে হয়। ধান কাটার মৌসুমে সময় বাঁচাতে বাড়ি যাওয়া হয় না। তখন তাঁর স্ত্রী রোজ এভাবে খেতে এসে তাঁকে খাইয়ে যান।
সাধনা রানী বলেন, এভাবে প্রতিদিন স্বামীকে খাইয়ে তৃপ্তি পান তিনি। তাঁকে যে না খেয়ে খাটতে হচ্ছে না এতেই সাধনার সুখ।
Posted in অর্থনীতি, কৃষি, জেলার খবর
Posted on 17 November 2011. Tags: পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ড়্গয়ড়্গতি
পঞ্চগড় (দিনাজপুর নিউজ ডট কম) ॥ পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার সোনাহার ইউনিয়নে বিভিন্ন গ্রামে ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ড়্গয়ড়্গতি হয়েছে। ওই ইউনিয়নের প্রায় দেড় হাজার বিঘা জমির আমনধানসহ বিভিন্ন উঠতি ফসল এবং প্রায় এক হাজার কাঁচা ঘর-বাড়ি ভেঙ্গে পড়েছে। ফসলের ড়্গতিতে কৃষকদের যেমন মাথায় হাত পড়েছে তেমনি ঘর-বাড়ি ভেঙ্গে পড়াতে ড়্গতিগ্রস্থ পরিবারগুলো আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে। দুইদিন পেরিয়ে গেলেও ড়্গতিগ্রস্থদের কাছে সরকারি কোন ত্রাণ সহায়তা পৌঁছেনি।
সংশিস্নষ্টরা জানান, ওই ইউনিয়নের জুম্মাপাড়া, তেলীপাড়া, সোনাহার, শেখপাড়া, নুলস্নাপাড়া, ছিদ্দিকপাড়া ও বালাপাড়াসহ বিভিন্ন গ্রামের ওপর দিয়ে বুধবার (১৭ নভেম্বর) সকালে স্মরণকালের সবচেয়ে বেশি সময়ব্যাপী ঝড়-দমকা হাওয়ার সঙ্গে ভারি শিলাবৃষ্টিপাত হয়। প্রবীণ গ্রামবাসীদের দাবি বিগত ৫০ বছরে দীঘৃ সময় ধরে এ ধরনের ঝড় বা শিলাবৃষ্টি হয়নি। তাদের হিসেবে প্রায় আধা ঘন্টাব্যাপী প্রকৃতির এ তান্ডব ঘরবাড়ি ও ফসলি জমিতে ব্যাপকভাবে আঘাত হানে। এতে বিভিন্ন গ্রামে একরের পর একর জমির উঠতি আমন ধান জমিতেই হেলে পড়ে। কিছু এলাকায় পাকা ধানের দানা ঝড়ে পরে শুধু গাছগুলো দাড়িয়ে থাকে। একই সঙ্গে কৃষকের বাঁধাকপি, পিয়াজ, করলা, বেগুনড়্গেত ও বাউকুলের বাগান পুরোপুরি ড়্গতিগ্রস্থ হয়। এছাড়া ঝড়ের কারণে প্রায় দেড় হাজার টিনের ও খড়ের কাঁচা ঘর ভেঙ্গে পড়ে। পরিবারের একমাত্র শোবার ঘরটি হারিয়ে কেউ কেউ সারারাত নির্ঘুম কাটিয়ে দেন। গৃহস্থালী জিনিসপত্র ও রান্নাবান্নার উপকরণ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় কোন কোন পরিবারকে না খেয়ে দিন কাটাতে হয়।
কৃষকরা জানান, সপ্তাহখানেকের মধ্যেই মাঠের ধান তারা ঘরে তুলতেন। কিন্তু ঝড় ও শিলাবৃষ্টি তাদের পথে বসিয়েছে।
একই অবস্থা ওই উপজেলার দন্ডপাল ও সুন্দরদীঘি ইউনিয়নেরও।
জেলা প্রশাসক তোফাজ্জল হোসেন মিয়াসহ সরকারি কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ড়্গতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন করলেও এখন পর্যনত্ম কোন ত্রাণ সহায়তা ড়্গতিগ্রস্থদের কাছে পৌঁছেনি।
জনপ্রতিনিধি ও ড়্গতিগ্রস্থরা ফসল ও জানমালের ড়্গতি পুষিয়ে নিতে দ্রম্নত ত্রাণ সহায়তার পাশাপাশি নানা পদড়্গেপ নেয়ার দাবি জানিয়েছেন।#
Posted in অর্থনীতি, কৃষি, পঞ্চগড়
Posted on 05 November 2011. Tags: বিরলের পল্লীতে জমি-জমা নিয়ে সংঘর্ষে আহত-৫
বিরল (দিনাজপুর নিউজ ডট কম) ॥ গতকাল শনিবার সকালে বিরলের পল্লীতে জমি-জমা নিয়ে সংঘর্ষে আহত হয়েছে ৫ ব্যক্তি। এদের মধ্যে ২ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জানা গেছে, উপজেলার মঙ্গলপুর ইউপি’র রঘুনাথপুর গ্রামের মৃত বুধা মোহাম্মদের পুত্র আবুল কালাম আজাদের সাথে একই গ্রামের ওসমান আলীর জমি-জমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। গতকাল সকালে ওসমান আলীগং বিরোধীয় জমিতে গাছ ও বাঁশ কাটতে গেলে উভয়পরে মাঝে সংঘর্ষ বাঁধে। এ সময় আবুল কালাম আজাদ সহ সুমন, লতিফুর, অসিদুল, রওশন আরা আহত হয়। আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় ২ জনকে বিরল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেঙে ভর্তি করা হয়েছে। এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছিল।
Posted in অপরাধ, কৃষি, জেলার খবর, বিরল
Posted on 02 November 2011. Tags: ঠাকুরগাঁওয়ে ১৪ শ’ কেজি ভেজাল সিনজেন্টার ভুট্টা বীজ জব্দ
ঠাকুরগাঁও (দিনাজপুর নিউজ ডট কম) ॥ ভেজাল সন্দেহে ঠাকুরগাঁওয়ে বিভিন্ন বীজ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান সিনজেন্টা কোম্পানির প্রায় ১৪শ কেজি ভুট্টা বীজ জব্দ করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বীজ প্রত্যয়ন সংস্থা। মঙ্গলবার বিকেল শহরের বাস টার্মিনাল এলাকার রফিক সিড ও বিআরটিসি বাসস্ট্যান্ড এলাকার করতোয়া বীজ ভা-ারে অভিযান চালিয়ে ওই বীজ জব্দ করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ঠাকুরগাঁও বীজ প্রত্যয়ন সংস্থার কর্মকর্তা ড. মোস্তাফিজুর রহমান প্রধান। তিনি জানান, সিনজেন্টা কোম্পনির স্থানীয় এক প্রতিনিধি অভিযোগ করেছেন আমদানি করা ওই ভুট্টা বীজ নিম্নমানের। এমন অভিযোগের পরিপ্রেতিে ওই দুটি দোকানের বীজগুলো জব্দ করে পরীা-নিরীার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
ড. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন না আসা পর্যন্ত ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় জেলায় ওই কোম্পানি সরবরাহকৃত ভুট্টার বীজ বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১০ সালে রাজশাহীর গোদাগাড়ী এলাকার চাষীরা সিনজেন্টার কাছ থেকে কেনা বীজে টমেটো চাষ করে ব্যাপক তির সম্মুখীন হন বলে অভিযোগ রয়েছে। সিনজেন্টার বিরুদ্ধে এখনো সেখানে চাষীদের আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে।
Posted in অপরাধ, কৃষি, ঠাকুরগাঁও
Posted on 31 October 2011. Tags: নবাবগঞ্জে ধানবীজ বিষয়ক মত বিনিময়
নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর নিউজ ডট কম) ॥ গতকাল দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে সোমবার বেলা ১.৩০ টায় আফতাব বহুমূখী ফার্মস লিমিটেড এর উদ্দ্যেগে উপজেলা কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তরের সভাক উচে্চ ফলনশীল ধান বীজের গুনাগুন বিষয়ে স্থানীয় সহকারী কৃষি কর্মকর্তা, সাংবাদিকদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপজলো কৃষি কর্মকর্তা ডঃ মোঃ আবুল কালাম আজাদের সভাপত্বিতে বক্তব্য রাখেন। রংপুর বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিনিয়র মার্কেটিং অফিসার মোঃ মনোয়ার হোসেন বগুড়া জোনের এ.জি.এম মোঃ রশিদুল ইসলাম দিনাজপুর জেলা মার্কেটিং এসিসটেন্ট মোঃ আমিনুল ইসলাম, নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রেস কাবের সভাপতি এম.রুহুল আমিন প্রধান প্রমূখ বক্তব্্য রাখেন। কোম্পানীর প েআলোচনা সভায় মনোয়ার হোসেন জানান- আফতাব বহুমূখী ফার্মস লিমিটেড এর উদ্ভাবিত গণচীনের সর্বশ্রেষ্ঠ হাইব্রীড ধানবীজ আফতাব এল.পি-৭০, আফতাব এল.পি-১০৬, আফতাব এল.পি- ১০৮, আফতাব এল.পি- ০৫ ধানবীজ নিরাপদ নির্ভরযোগ্য ও অধিক ফলনশীল। তারা কোম্পনীর প থেকে উল্লেখিত হাইব্রীড ধানবীজ বপন করে কৃষকেরা ধান উৎপাদনে ব্যপক সফলতা লাভ করবে বলে আশ্বাস দেন। উচ্চ বর্ণের ধান এবং ওজনে ভারী, গাছ হেলে পড়ে না, ধান ঝড়ে না এবং চিটা খুবই কম, রোগ বালাই ও পোকা মাকড়ের আক্রমন কম, চাল স্বচ্ছ, ভাত ঝরঝরে, খেতে সুস্বাদু, উত্তম পরিচর্যার প্রতি একরে ফলন ১২০ মণ। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ডঃ মোঃ আবুল কালাম আজাদ তার বক্তব্যে বলেছেন- কোম্পনীর বীজ কিনে মাঠ পর্যায়ে উৎপাদনমূখী প্রান্তিক কৃষকেরা যেন প্রতারনার স্বীকার না হন সে বিষয়ে কেম্পানীর কর্তৃপরে নিকট এ দাবী জানান। উৎপাদনে সহায়ক হলে কৃষকেরা আফতাব বহুমূখী ফার্মস্ লিমিটেডকেই খুঁজবে।
Posted in অর্থনীতি, কৃষি, জেলার খবর, নবাবগঞ্জ
Posted on 29 October 2011. Tags: বালিয়াডাঙ্গীতে আমন তে পাকার আগে গাছফড়িংয়ের আক্রমনে কৃষকের মাথায় হাত
বালিয়াডাঙ্গী (দিনাজপুর নিউজ ডট কম) ॥ ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলাতে আমন তে পাকার আগে বাদামি গাছফড়িং বা কারেন্ট পোকার আক্রমনে শতশত একর জমির েেতর খড় হয়ে জমিতে পড়ে থাকায় কৃষকের এখন মাথায় হাত।
সূত্রে জানা গেছে, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলাটি উচু এলাকা হওয়ায় েেত পানি জমে না থাকায় এলাকায় এ পোকার আক্রমণের বেশি ল্য করা যাচ্ছে বলে একাধিক কৃষক জানিয়েছেন।
যে সমস্ত এলাকার জমিতে পাট ও মরিচ ফসল তোলার পর আমনধান লাগানো হয়েছে সেই সমস্ত েেত বাদামি গাছফড়িংয়ের আক্রমণ সবচেয়ে বেশি হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বড়বাড়ী গ্রামের বেশ কয়েকজন কৃষক অভিযোগ করে বলেছেন, তাদের আমন েেত বাদামি গাছফড়িং বা কারেন্ট পোকার পোকার আক্রমণের বিষয়ে কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তরের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা কর্মকর্তা আনিছুর রহমানকে বেশ কয়েকবার জানা হলেও তিনি এব্যাপারে কোন প্রদপে গ্রহণ করেননি।
বাধ্য হয়ে কৃষক কীটনাশকের দোকানদারের পরামর্শে বিভিন্ন ব্রান্ডের কীটনাশক কিনে সেপ্র করছেন। কিন্তু বেশিরভাগ েত্েরই কোন ফল পাচ্ছে না। বড়বাড়ী কাশিডাঙ্গা গ্রামের কৃষক রশিদুল জানান, বাদামিফড়িং পোকাকে তারা কারেন্ট পোকা নামে চেনেন। কারন এ পোকার বিস্তার কারেন্টর মতই। চলতি মৌসুমে এই পোকার ব্যাপক আক্রমনে এলাকার শতশত একর জমির আমন ধানের র্শীষ দানা চাপা ও পাকার আগেই র্শীষ সাদা হয়ে খড় হয়ে রয়েছে।
কারেন্ট পোকা সবুজ আমন ধানের গাছের গোড়ার রস চুষে খায় তাই পোকা আক্রান্ত জমিতে কৃষক ধান পাওয়ার সম্ভবনা নেয়। অনেক কৃষক তাদের পোকা আক্রান্ত েেতর ধান পাবেনা বলে তারা খর কাটার প্রয়োজন মনে করেন না।
Posted in অর্থনীতি, কৃষি, ঠাকুরগাঁও
Posted on 24 October 2011. Tags: দিনাজপুরে কমেছে চালের দাম
স্টাফ রিপোর্টার (দিনাজপুর নিউজ ডট কম) ॥ ধানের জেলা দিনাজপুরে গত কয়েকদিনের ব্যবধানে কমেছে চালের দাম। চালের দাম সাধারন মানুষের ক্রয় মতার মধ্যে আসায় খুশী ভোক্তারা। তবে এতে খুশী নয় কিছু মজুদদার মিল মালিকরা। সরকারী খাদ্য বিভাগ বলছে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচীর কারনেই চালের দাম খেটে খাওয়া মানুষসহ সাধারন মানুষের ক্রয় মতার নাগালের মধ্যেই রয়েছে।
দিনাজপুরে চালের সবচেয়ে বড় খুচরা ও পাইকারী বাজার শহরের বাহাদুর বাজার। গতকাল সোমবার এই বাজারে গিয়ে দেখা যায় গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে মোটা চালের দাম কমেছে কেজি প্রতি ৪ থেকে ৫টাকা। পাশাপাশি চিকন চাল কেজি প্রতি ৭ থেকে ৮ টাকা কমেছে।
বাহাদুরবাজারের চাল ব্যাবসায়ী মোঃ লিয়াকত আলী জানান, সরকার বিভিন্ন কর্মসূচীতে ব্যাপকহারে চাল বিতরন করায় কমেছে এই চালের দাম। তাছাড়া সরকারীভাবে ব্যাপকহারে বিদেশ থেকে চাল আমদানী করায় দিনাজপুর থেকে চাল অন্যান্য জেলায় না যাওয়ায় চালের দাম কমেছে বলে জানান তিনি।
চালের দাম কমায় বেশ খুশী ভোক্তারা। বাহাদুরবাজারে চাল কিনতে আসা দিনমজুর আহম্মেদ হোসেন জানান, আগে চাল কিনতে তাদের হিমশিম খেতে হতো। সারা দিনে যা আয় রোজগার করতো, তার সিংহ ভাগই চলে যেতো চাল কিনতে। বাকী তরিতরকারী কিনতে তাদের আর তেমন টাকা থাকতো না। কিন্তু এখন চালের দাম ক্রয় মতার নাগালের মধ্যে আসায় তিনি বেশ খুশী। তিনি জানান, চালের দাম কেজি প্রতি ৪ থেকে ৫ টাকা কমায় এখন তিনি চাল কেনার পর তরিতরকারী এমনকি মাছ মাংশও কিনতে পারছেন স্বাচ্ছন্দে। সব সময় চালের দাম এভাবে নিয়ন্ত্রনে রাখার দাবী জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে চালের দাম কমায় খুশী নন, কতিপয় মিল মালিক ও চাল মজুদদার। প্রতিবছর এ সময় চালের দাম বৃদ্ধি পায়। আর দাম এই বৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে অধিক লাভের আশায় চাল মজুদ করে থাকে মুনাফালোভী কিছু মিল মালিক ও মজুদদার। কিন্তু এবার বৃদ্ধির বদলে বাজারে চালের দাম কমে যাওয়ায় তাদের মাথায় হাত পড়েছে। চালের দাম কমাতে তাদের এবার বেশ লোকসান গুনতে হবে জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মিল মালিক।
দিনাজপুর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ আনোয়ার হোসেন জানান, সরকার খোলাবাজারে চাল বিক্রি (ওএমএস) কর্মসূচীর পাশাপাশি, ঈদে ভিজিএফ কর্মসূচী এবং সরকার চালের মুল্য নিয়ন্ত্রনে রাখতে বিভিন্ন কর্মসূচী অব্যাহত রাখায় বাজারে চালের দাম কমেছে। তাছাড়া সরকারীভাবে ব্যাপক খাদ্য শষ্য মজুদ থাকায় ও আসন্ন আমন মৌসুমে চালের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে, এমন চিন্তায় মজুদদাররা তাদের মজুদকৃত চাল বাজারে ছেড়ে দিতে শুরু করেছে। আর এ কারনেই বাজারে চালের দাম কমেছে বলে জানান জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক। তিনি জানান, সরকার যেভাবে চালের দাম নিয়ন্ত্রনে রাখার পদপে গ্রহন করেছে, তাতে আরও চালের দাম কমবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
অন্য দিকে বাজার বিশেষকরা জানান, অন্যান্য নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমুল্য বৃদ্ধি পাওয়ার পর তেমন অস্থিরতা দেখা না গেলেও যখনই বাজারে চালের মুল্য বৃদ্ধি পেয়েছে-তখনই শুরু হয়েছে নানান আলোচনা ও সমালোচনা এবং বাজারে সৃষ্টি হয় অস্থিরতা। কারন দেশের খেটে খাওয়া মানুষ থেকে শুরু করে অধিকাংশ মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের তালিকার শীর্ষে রয়েছে চাল এবং এই চালের মুল্য বৃদ্ধি পেলে সবচেয়ে দুর্ভোগ পোহাতে হয় খেটে খাওয়া ও নিম্ন আয়ের মানুষের। তাই বর্তমানে যেভাবে চালের মুল্য সাধারন মানুষের ক্রয় মতার মধ্যে রয়েছে- এ অবস্থা সারা বছরই বিরাজ করুক এমনটিই প্রত্যাশা এই অঞ্চলের খেটে খাওয়া ও নিম্ন আয়ের মানুষের।##
Posted in অর্থনীতি, কৃষি, জেলার খবর
Posted on 20 October 2011. Tags: কাহারোলে ভেজাল কীটনাশক বাজারে সয়লাব প্রতারিত হচেছ কৃষকেরা
কাহারোল (দিনাজপুর নিউজ ডট কম) ॥ দিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে নকল কীটনাশকের সয়লাব। এই সব ভেজাল কীটনাশক ব্যবহার করে কৃষক ফসল রা করতে হিমসিম খাচেছন। এবং চরম তির সম্মুখীন হচ্ছেন।
জানা গেছে, নকল কীটনাশক কিনে ফসলে প্রয়োগ করে ফসল না পেয়ে ঠকছেন প্রন্ত্যঞ্চলের সাধারণ কৃষক । প্রতিরোধের কোন ব্যবস্থা না থাকায় প্রতারক চক্র একদিকে যেমন কীটনাশক তৈরি ও বাজারজাতকরণ উৎসাতি হচ্ছে। অন্যদিকে দিনের পর দিন ফসল নষ্ট হওয়ায় উৎপাদনে নিরুৎসাতি হচ্ছেন কৃষকেরা। উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ঘুরে সরজমিনে গিয়ে জানা গেছে দীর্ঘ দিন ধরে ইন্ডিয়ান সুপার কিলার, নিষিদ্ধ আয়োডিন, ইন্ডিয়ান সাদা পাউডার এবং দেশী পাউডার এর সাথে হলুদ মিশিয়ে ছত্রাকনাশক ওষুধ হিসেবে কৃষকদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে দেদারচ্ছে। এক শ্রেণীর প্রতারক চক্র ইউরিয়া সার ও পটাশ সার গলিয়ে তরল সার হরমন বিক্রি করছে। এসব কীটনাশক ফসলে প্রয়োগ করলেও তা কোন কীটপ্রতঙ্গ ধ্বংস না করে ফসলের তি হচ্ছে বলে কৃষকেরা জানান। কাহারোল উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা খন্দাকার আব্দুল ওয়াহেদ এর সাথে আলাপ কালে তিনি বলেন, বিক্রয় কেন্দ্র্রে মনিটরিং ব্যবস্থা চালু রেখেছেন এবং দোকানে নকল কীটনাশক পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Posted in অর্থনীতি, কাহারোল, কৃষি, জেলার খবর
Posted on 17 October 2011. Tags: আমন েেত ধঞ্চে গাছ কীটনাশক ছাড়াই করছে কাজ
বালিয়াডাঙ্গী (দিনাজপুর নিউজ ডট কম) ॥ ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় চলতি আমন মৌসুমে প্রায় কৃষকের আমন েেত দেখা যায় সবুজ রংগের তরতাজা বড় ধরনের ধঞ্চেগাছ।
আমন েেত ধঞ্চেগাছের ডালপালা ছড়িয়ে বেড়ে উঠা ডালে পাখি বসে পোকামাকড় শিকার করে। এসব উপকারী পাখিরা উড়ে আসে আমন েেতর ধঞ্চে গাছের ডালে। উপকারি পাখিরা আমন েেত তিকারক পোকা মাকড় দেখা মাত্রই ধরে খায়।
ধঞ্চে গাছের এই পাখি বস পোচিং পদ্ধতিতে চলতি আমন তে পোকা মাকড়ের হাত থেকে রা পাচ্ছে। তাই পোকা মাকড় দমনে আমন েেত কৃষকদের রাসায়নিক কীটনাশক ছিটানোর প্রয়োজন হবেনা। ফলে কৃষকদের আমনতে উৎপন্ন হচ্ছে বিষমুক্ত ফসল। এছাড়া ধঞ্চে গাছের পাতা আমন েেত ঝড়ে পড়ে তৈরী হচ্ছে জৈব সার। এই জৈব সার প্রাকৃতিকভাবে জমির উর্বরা শক্তি বৃদ্ধি করতে সম। কীটনাশক ছাড়াই ফসল উৎপাদনে কৃষকরা একদিকে যেমন আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে, অপরদিকে পরিবেশ ভারসাম্য রা পাচ্ছে।
উপজেলার দুওসুও, ভানোর, বড়বাড়ী, চাড়োল এবং পাড়িয়া এলাকায় এ পদ্ধতিটি ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। উপজেলা কৃষি সমপ্রসারণ কর্মকর্তা আনিছুর রহমান জানান, আমন েেত মাজরা পাতা মোড়ানো, ঘাসফড়িং, চুঙ্গি, লেদাপোকা ও শীশকাটা প্রভৃতি পোকামাকড় আক্রমন করে। আগে পোকামাকড় দমনে কৃষকরা বাজার থেকে চড়া মূল্যে রাসায়নীক কীটনাশক কিনে েেত প্রয়োগ করতেন। এতে জমির উর্বরা শক্তি নষ্ট হতো। তিনি আরো জানান, এ বছর চলতি আমন েেত ধঞ্চে গাছ লাগিয়ে পাখি বশ পদ্ধতিতে কৃষকদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এ গাছটির বৈজ্ঞানিক নাম সেবোনিয়া রোষ্টাট্রাটা এটা আফ্রিকান জাতের গাছ।
Posted in অর্থনীতি, কৃষি, ঠাকুরগাঁও
Posted on 06 October 2011. Tags: পঞ্চগড়ে স্বামী-স্ত্রীকে পিটিয়ে বাড়িঘরে আগুন দিয়ে জমি দখল
পঞ্চগড় (দিনাজপুর নিউজ ডট কম) ॥ পঞ্চগড়ে একটি পরিবারের লোকজনকে পিটিয়ে তাদের বাড়িঘরে লুটপাট ও আগুন দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পিটুনিতে আহত আইবুল হক (৩৬) ও তার স্ত্রী রাহেলা খাতুন (২৮) বর্তমানে সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে সদর উপজেলার হাড়িভাষা ইউনিয়নের মাহানপাড়া গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটে ।
অভিযোগে জানা গেছে, একই গ্রামের গুলজার আলী দীর্ঘদিন ধরে দরিদ্র আইবুলের পৈতৃক সুত্রে প্রাপ্ত দেড় বিঘা জমি জবর দখল করে রেখেছিলেন। সমপ্রতি তিনি লোকজনের সহায়তায় জমিটির দখল নিয়ে তাতে ঘর তুলে বসবাস শুরু করেন। এ নিয়ে ুব্ধ গুলজার আলী নানাভাবে জমিটি পুনরায় ফিরে পেতে তৎপর থাকেন। বৃহস্পতিবার সকালে গুলজারের অনুপস্থিতিতে তার ছোট ভাই গিয়াস উদ্দিনের নেতৃত্বে তাদের পরিবারের নারি-পুরুষ ও বাইরে থেকে ভাড়া করা প্রায় ৫০/৬০ জন লোক লাঠিসোটা নিয়ে আইবুলের বাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারি পুরুষরা আইবুলকে ও মহিলারা তার স্ত্রী রাহেলাকে লাঠিসোটা নিয়ে বেধড়ক পেটায়। এ সময় তারা একটি ঘরে আগুন লাগিয়ে দেয় এবং অন্য ঘরটি ভাংচুর করে গৃহস্থালী জিনিসপত্রসহ ঘরের টিন-বেড়া লুটপাট করে নিয়ে যায়। আগুন দেখে লোকজন এগিয়ে আসলে হামলাকারিরা পালিয়ে যায়।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আইবুল হক অভিযোগ করেন, গুলজার আলীর ছেলে সাইফুল ইসলাম পুলিশে চাকরি করেন। তিনি বর্তমানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় কর্মরত আছেন। তার দাপট ও দম্ভ দেখিয়ে আমার ওপর হামলা করা হয়েছে। এর আগেও গুলজার মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে বেশ কয়েকটি মামলা করে তাকে হয়রানি করে আসছে।
এ ব্যাপারে গুলজার আলীর স্ত্রী আলেয়া খাতুন (৬০) দাবি করেন, আগুনে পুড়িয়ে দেয়া ঘরটি তাদের। আইবুল ও তার লোকজনই ওই ঘরে আগুন দিয়ে তাদের ফাঁসাতে চাইছে।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসএম ফারুক হোসেন বলেন, ঘটনাটি আমি শুনেছি। মামলা করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
Posted in অপরাধ, কৃষি, পঞ্চগড়
Posted on 06 October 2011. Tags: বালিয়াডাঙ্গীতে জমি দখলে ব্যর্থ হয়ে গ্রামবাসীদের উপর হামলা ॥ আহত ২০
বালিয়াডাঙ্গী (দিনাজপুর নিউজ ডট কম) ॥ ঠাকুরগাওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে ভূয়া দলিল মূলে ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেড নামে একটি কোম্পানীর লোকজন জমি দখল করতে গিয়ে ব্যর্থ হয়ে এখন ৩টি গ্রামের মানুষকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে। ঘর থেকে বের হলেই ওই সব দালালরা গ্রামবাসীদের উপর হামলে পড়ছে। ২ দিনের হামলায় ২০ জন আহত হয়েছে। যেকোন মুহুর্তে রক্তয়ি সংঘর্ষের আশঙ্কা থাকলেও পুলিশ বলছে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
পুলিশ, গ্রামবাসীসহ একাধিক সুত্রে জানা গেছে, ডেসটিনি লি:-২০০০ নামে একটি কোম্পানী ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার আমজানখোর ইউনিয়নের কাশিবাড়ি, লডিাঙ্গী, আমতলি মৌজায় জমি কেনার উদ্যোগ নিলে স্থানীয় কিছু টাউট বাটপার দালল হিসেবে নিযুক্ত হয়। তারা জমির মালিকদের না জানিয়ে রেকর্ড রুম থেকে তাদের জায়গা জমির এসএ খতিয়ানের কাগজপত্র উত্তোলন করে। অতঃপর গত ২২ আগস্ট ওই সব দালালরা লাহেড়ী সাব রেজিস্টার আমজাদ হোসেনের সহযোগিতায় ঠাকুরগাঁও শহরের একটি নির্জন ক েরাতের আধারে ভাড়াটে লোক দিয়ে ১৫০ একর জমির বায়নামা দলিল সম্পাদন করে। এভাবে দালালরা অর্ধকোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। অভিযোগ রয়েছে, অনেক জমির মালিকের নাম ঠিকানা ব্যবহার করা হলেও তারা আদৌও কিছু জানেন না। এমনকি কিছু জমি একাধিক বার বিক্রি হওয়ার পর মালিকানা পরিবর্তন হলেও বায়নামা দলিলে এসএ রেকডীয় মৃত ব্যক্তিকে দাতা দেখানো হয়েছে। এদিকে গত বুধবার ওই সব দালাল স্থানীয় কিছু লোকজনকে ভাড়া করে ভূয়া বায়নামা দলিলের ১৫০ একর জমি দখল করতে যায়। বিষয়টি জানতে পেরে জমির মূল মালিকরা বাঁধা দেয়। এতে দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কয়েক দফায় জমির মালিকদের সঙ্গে দালালরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে। এ ঘটনায় কমপ ১৫ জন আহত হয়। এদের মধ্যে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান চন্দ্র মোহন পাল ওরফে ফাকচাল, সাবেরুল ও দবিরুল সহ ৪ জনকে হাসপাতালে ভর্তি হয়। ওই দিন সন্ধ্যায় দালালরা লালচন (১১) নামে এক কিশোরকে মারপিট করে চোখে জখম করে। বর্তমানে ওই কিশোরকে গ্রামবাসীদের কেউ হাসপাতলে নিতে পারছেনা।
একলাস নামে এক ব্যক্তি জানান, জবর দখলকারীরা ওই ৩ গ্রামের সাধারণ মানুষকে হরিণমারী এলাকায় আটক করে মারধর করছে। গতকাল বৃহস্পতিবার জবর দখলকারী দালালরা অবৈধ অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে মোটর সাইকেল যোগে ওই এলাকায় গিয়ে পুনরায় জমি দখলের চেষ্টা চালালে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় জবর দখলকারীরা দুরুল হুদা (২০), নাসিরুল (২৩) ও তফিজুল (৩০) নামে ৩ ব্যক্তিকে বেধরক মারপিট করে। চৈতু মো?হাম্মদ ও আব্দুর গফুর নামে একাধিক গ্রামবাসী জানান, দালাল চক্রের সদস্যরা আহতদের হাসপাতালে নিতে বাঁধা দিচ্ছে। ওই ৩ গ্রামবাসী যেকোন মূল্যে ডেসটিনির হাত থেকে তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি রা করার প্রত্যয় জানিয়েছে। চলছে মিটিং, মিছিল সভা।
এ ব্যাপারে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা চেয়ারম্যান প্রবীর কুমার রায় জানান, ডেসটিনি একটি বায়নামা দলিল মূলে বুধবার জমিতে খুটি স্থাপন করতে গেলে জমির মালিকদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। বালিয়াডাঙ্গী থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত ওসি সরওয়ারদি জানান, ওই এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
Posted in অপরাধ, কৃষি, ঠাকুরগাঁও
Posted on 11 September 2011. Tags: ঠাকুরগাঁও বিএডিসির বিরুদ্ধে বাজার থেকে নিম্মমানের ধান বীজ ক্রয়ের অভিযোগ
ঠাকুরগাঁও (দিনাজপুর নিউজ ডট কম) ॥ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) অধিক বীজ উৎপাদন ঠাকুরগাঁওয়ের শিবগঞ্জ কেন্দ্র কর্তৃপ চুক্তিবদ্ধ চাষিদের কাছ থেকে বোরো মওসুমের ধান বীজ ক্রয় না করে বাজার থেকে ধান কিনার অভিযোগ উঠেছে। ক্রয়কৃত সেসব ধান বীজ নিম্মমানের হওয়ায় অধিক বীজ উৎপাদন শিবগঞ্জ কেন্দ্রে শ্রমিক দিয়ে ধান বাছাই করা হয়।
বিএডিসির অধিক বীজ উৎপাদন শিবগঞ্জ কেন্দ্রের সূত্র মতে, কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) অধিক বীজ উৎপাদন ঠাকুরগাঁওয়ের শিবগঞ্জ কেন্দ্র ১২৯ জন চুক্তিবদ্ধ চাষি (কন্ট্রার্ক গ্রোয়ার্স) রয়েছে। তারা বিভিন্ন জাতের ৯৭০ মেট্রিক টন ধান বীজ সরবরাহের চুক্তি করে। চাষীদের চুক্তির ধান বীজ চলতি বছরের মে থেকে জুলাই মাসের মধ্যে সরবরাহ করার জন্য বলা হয়। কিন্তু কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) অধিক বীজ উৎপাদন ঠাকুরগাঁওয়ের শিবগঞ্জ কেন্দ্র তাদের কাছ থেকে বোরো মওসুমের ধান বীজ ক্রয় না করে বাজার থেকে নিম্মমানের বীজ ক্রয় করে রাতের আধারে গুদামজাত করে।
সরেজমিনে বিএডিসির অধিক বীজ উৎপাদন শিবগঞ্জ কেন্দ্রের নারী শ্রমিক শাহানা বেগম জানান, তাঁরা ৭/৮ দিন ধরে ১২০ টাকা হারে প্রতি বস্তা ধান বীজ থেকে ভেজাল ধানবীজ বাছাই করছেন।
নারী শ্রমিক রহিমা বেগম জানান, ধান বীজ বাছাই করতে গিয়ে প্রতিটি বস্তায় অর্ধেকেরও বেশি পরিমান ধান বীজে মিশাল (ভিন্ন জাতের ধান) পাওয়া গেছে।
বাজার থেকে ধানবীজ ক্রয় করা প্রসঙ্গে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার শিবগঞ্জ এলাকার একজন চাষি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, তাঁর সঙ্গে ১০ একর জমির ব্রি-২৮ ধান বীজের জন্য চুক্তি করেছিলো অধিক বীজ উৎপাদন কেন্দ্র । চুক্তি অনুযায়ী প্রতি একরে ২২ মণ করে ২২০ মণ ধান বীজ অধিক বীজ উৎপাদন কেন্দ্র সরবরাহের কথা থাকলেও তারা নিয়েছেন মাত্র ১২০ মণ। তিনি অভিযোগ করে বলেন, অধিক বীজ উৎপাদন কেন্দ্রে বীজ সরবরাহ করতে হলে বীজ সরবরাহকারীকে বস্তা প্রতি ১০০ থেকে ১৫০ টাকা সেলামী দিতে হয়। অন্যথায় তারা বিল ছাড় করতে কৃষককে অযথা হয়রানী করেন।
পশ্চিম পারপূগী গ্রামের আরেক চুক্তিবদ্ধ চাষি জানান, অধিক বীজ উৎপাদন শিবগঞ্জ কেন্দ্র চুক্তিবদ্ধ চাষীদের কাছ থেকে অল্প পরিমাণ ধান বীজ ক্রয় করে বাজার থেকে দালালদের মাধ্যমে নিম্মমানের ধান বীজ ক্রয় করে রাতের বেলা গুদাম ভরেছেন। ক্রয় করা সেসব বীজ নিম্মমানের বলেই গ্রেডিং মেশিন থাকার পরও শ্রমিক দিয়ে ধান বীজ থেকে ভেজাল বীজ বাছাই করতে হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, শীবগঞ্জ এলাকার জনৈক একজন তরুন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে প্রায় ২ হাজার বস্তা ধান বীজ কিনেছেন অধিক বীজ উৎপাদন শিবগঞ্জ কেন্দ্র। বিনিময়ে কেন্দ্র কর্তৃপ তাঁর কাছ থেকে নিয়েছেন বস্তা প্রতি ২০০ টাকা করে। এছাড়াও ওই ব্যবসায়ী প্রতি মৌসুমে বিভিন্ন বীজ সরবরাহ করে থাকেন বলেও একাধিক সুত্রে জানা যায়।
এ বিষয়ে কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) অধিক বীজ উৎপাদন ঠাকুরগাঁওয়ের শিবগঞ্জ কেন্দ্রের উপ-পরিচালক (বীজ উৎপাদন) মোঃ সেলিম হায়দার বাহির থেকে ধান বীজ ক্রয় করে গুদামজাত করার অভিযোগ অস্বীকার করেন।
Posted in অপরাধ, কৃষি, ঠাকুরগাঁও
Posted on 08 September 2011. Tags: দিনাজপুরে বাম্পার পাটের উৎপাদন
স্টাফ রিপোর্টার (দিনাজপুর নিউজ ডট কম) ॥ দিনাজপুর জেলায় ১২ হাজার ১৯ হেক্টর জমিতে বাম্পার পাট উৎপাদন। পাট কর্তনের পর ফলন হয়েছে ১ ল ৮ হাজার ৮৯৭ দশমিক ৬ বেল। উৎপাদিত পাট থেকে কৃষকেরা ভালো মূল্য পাচ্ছে।
দিনাজপুর কৃষি অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ সিকেন্দার আলী জানান, চলতি বছর জেলায় ১১ হাজার হেক্টর জমিতে পাট চাষের ল্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়। কৃষি অধিদপ্তর থেকে পাট চাষীদের রাসায়নিক সার ভূর্তুর্কি প্রদান করায় এবারে জেলায় ১ হাজার ১৯ হেক্টর জমিতে অতিরিক্ত পাটের ফলন অর্জিত হয়ে ১২ হাজার ১৯ হেক্টর জমিতে পাট চাষ করা হয়। গত আগষ্ট মাস থেকে পাট কর্তন শুরু হয়ে সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে শেষ হয়েছে। অর্জিত পাটের মধ্যে ২ হাজার ২৯৬ হেক্টর জমিতে দেশী পাট হেক্টর প্রতি ৮ দশমিক ৪ বেল এবং ৯ হাজার ৭২৩ হেক্টর জমিতে ১১ দশমিক ২ বেল ফলন উৎপাদন হয়। দেশী ও তোষা পাট উৎপাদন হয় ১ ল ৮ হাজার ৮৯৭ দশমিক ৬ বেল। সূত্রটি জানায়, পাটের ওজন পদ্ধতি ২শ কেজিতে ১ বেল নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছর থেকে পাটের মান নির্ধারণে কৃষি অধিদপ্তর থেকে পাটের আশ ছড়ানোর জন্য কৃষকরা অত্যাধুনিক রিবনার মেশিন প্রদান করা হয়। গত বছর জেলায় কৃষকদের মধ্যে ৭৫০টি এবং চলতি বছর ৮৫০টি রিবনার মেশিন সরবরাহ করা হয়েছে। উৎপাদিত পাটের ৮০ ভাগ কৃষক রিবনার মেশিনের মাধ্যমে পাটের আশ ছড়ানোর কারণে পাটের মান ও উৎপাদিত ফলন ভালো হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে পাট কর্তনের পর ডোবা, নালা ও নদীতে পাট ডুবিয়ে রাখার জন্য কৃষকদের সমস্যায় পড়তে হতো। গত দু’বছরে জেলার ৫৩০টি ডোবা, নালা খনন করা হয়। ফলে চলতি বছর পাট চাষীরা সহজেই তাদের পাট কর্তনের পর ওইসব ডোবা ও নালায় ডুবিয়ে রাখতে পারছে। গত বছর জেলায় ৮৪১ জন পাট চাষী ছিল। চলতি বছর ১ হাজার ৯৭ জন কৃষক পাট চাষ করেছে। সূত্রটি জানায়, গত কয়েক বছর কৃষকেরা পাট চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছিল। কিন্তু বর্তমান সরকার পাট চাষে কৃষকদের ভুর্তুর্কি প্রদান করায় কৃষকেরা পুনরায় আগ্রহ হয়েছে। মাঝারি জমিতে বোরো ধান কর্তনের পর পুনরায় ওই জমিতে অনেক কৃষক পাট চাষ করে অতিরিক্ত ফলন উৎপাদনে সম হয়েছে। পাট কর্তনের পর ওই জমিতে আবার আমন ধান রোপন করা হয়েছে।##
Posted in অর্থনীতি, কৃষি, জেলার খবর
Posted on 22 August 2011. Tags: পাটখড়ি বিক্রি করে লাভবান হচ্ছেন ঠাকুরগাঁওয়ের কৃষকেরা
ঠাকুরগাঁও (দিনাজপুর নিউজ ডট কম) ॥ ঠাকুরগাঁও জেলায় এবার পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। বাজারে দাম মোটামোটি থাকলেও কৃষকরা তাতে সন্তুষ্ট নয়। তাই অনেকে পাট বিক্রি না করে পাট খড়ি বিক্রি করছেন। সেসব বিক্রি করে কৃষকরা তাদের দৈনন্দিন বাজার খরচ চালিয়ে আসছে।
কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তর সুত্রে জানা যায়, এ বছর ঠাকুরগাঁও জেলায় ১৬ হাজার ২ শ ৭৫ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়। এর মধ্যে দেশি জাতের ৩ হাজার ৩শ ৬০ হেক্টর এবং তোষা ১২ হাজার ৯শ ১৫ হেক্টর। গত বছর অধিক দামে পাট বিক্রি করতে পেরে কৃষকেরা এ বছর ব্যাপক জমিতে পাট চাষ করে। এ বছর পাটের মৌসুমে মাঝে মাঝে বৃষ্টি ও করা রোদ ছিল। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় পাটগাছগুলো মোটাতাজা হয়েছে বেশি এবং পাটগাছ দ্রুত বেড়ে উঠে। কৃষি বিভাগ জানায়, এ বছর যে পাটের উৎপাদন হয়েছে তা পুর্বের ৫/৭ বছরের তুলনায় ভালো। পাট অতিরিক্ত লম্বা হওয়ায় পাটের উৎপাদন বেড়ে যায়। পাটের পাশাপশি ব্যাপক পাটখড়ি পাওয়া যায়। একবিঘা জমি থেকে পাট পাওয়া যায় ৬-৮ মণ। যার বাজার মূল্য সর্বোচ্চ ৯ হাজার টাকা। একই জমি হতে পাটখড়ি পাওয়া যায় প্রায় একশ আটি। স্থানীয়ভাবে কৃষক কৃষানীরা প্রতিটি আটি ১৫-২০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। সাধারনত পাটের আবাদ করেনি এমন চাকুরীজীবিদের কাছে এ পাটখড়ির কদর বেশি। এছাড়াও পাটখড়ি দিয়ে বাড়ি ঘরের বেড়া তৈরির জন্য অনেকে তা কিনে নেওয়ার কারনে পাট খড়ির চাহিদা বেশ। কৃষকরা প্রতি বিঘা জমির পাটখড়ি বিক্রি করে আয় করছেন ১৫০০ টাকা। পীরগঞ্জ উপজেলার ভোমরাদহ কারবুলা বাজার এলাকার পাটচাষি আজিজুর রহমান জানান, তিনি ৩ বিঘা জমিতে পাট চাষ করে ৩’শর মতো পাটখড়ির আটি পেয়েছেন এবং ইতোমধ্যে তা ৬ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন। এটা অনেকটা বাড়তি আয় বলে জানায় আজিজুর। একই গ্রামের মোস্তফা জানায়, পাটের দাম গত বছরের তুলনায় কম, তাই পাটখড়ি বিক্রি করে কিছুটা হলেও পোষাচ্ছে তাদের। এ ব্যাপারে কৃষি সমপ্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বেলায়েত হোসেন জানান, পাট খড়ির চাহিদা সর্বত্র থাকায় কৃষকেরা তা বিক্রি করে বাড়তি আয় করছে।
Posted in অর্থনীতি, কৃষি, ঠাকুরগাঁও
Posted on 20 August 2011. Tags: বোদায় ঈদের বাজারে আক্রা দামের কারণে কৃষকের ঈদ আনন্দের সখ পানসে
বোদা (দিনাজপুর নিউজ ডট কম) ॥ এবার বোদায় ঈদের বাজার তেমন জমে উঠছে না। পোশাকের দোকানগুলোতে পছন্দের পোশাকের মূল্য চড়া। বাজারে পোশাক সহ অন্যান্য জিনিস পত্রের দাম আক্রা থাকলেও বাজারে আশানুরূপ ধান ও পাটের দাম না পাওয়ার কারণে এবার কৃষকের ঈদ আনন্দের সখ পানসে হতে চলেছে। ঈদকে সামনে রেখে প্রানিত্মক ও মাঝারি কৃষকরা জমিয়ে রাখা ধান বিক্রি করে ঈদ আনন্দের যে পরিকল্পনা করে ছিল ঈদের বাজারে পোশাকের মূল্য আগের তুলনায় তিনগুন বৃদ্ধি পাওয়ায় পছন্দের পোশাক কিনতে হিমশিম খাচ্ছে। এদিকে বাজারে মোটা চাল ৩০-৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও ধানের মূল্য যাচ্ছে ৬৮০-৭০০ টাকা মণ দরে। বাজারে মাছ মাংস সহ তরিতরকারীর দামও চড়া। অন্যদিকে আমনের েেতর পরিচর্যায়ও কৃষকদের খরচ করতে হচ্ছে প্রচুর, সব মিলিয়ে উপজেলা গ্রামীণ কৃষক কুলে এবার ঈদে আনন্দ তেমন জমবেনা বলে স্থানীয় শ্রেণী পেশার মানুষদের ধারণা।
Posted in অর্থনীতি, কৃষি, পঞ্চগড়
সাম্প্রতিক মন্তব্য