Posted on 11 December 2011. Tags: দিনাজপুরে এনসিসি ব্যাংকের ৮৫ তম শাখার উদ্বোধন
স্টাফ রিপোর্টার (দিনাজপুর নিউজ ডট কম) ॥ আধুনিক ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে গ্রাহকদের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা দিয়ে আমরা গ্রাহকদের মন জয় করতে সব সময় সচেষ্ট ও সজাগ রয়েছি। কেবল মাত্র মুনাফা নয়, সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে আমরা সমাজ এবং দেশের জন্য সব সময় কিছু না কিছু অবদান রেখে আসছি।
গতকাল রোববার সকালে দিনাজপুর শহরের মুন্সিপাড়া তাজভবনে এনসিসি ব্যাংক লিমিটেডের ৮৫ তম শাখার উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির ভাষনে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্সের সিনিয়র সহ-সভাপতি নুরুন নেওয়াজ সেলিম একথা বলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন এনসিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোঃ নুরুল আমিন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ব্যাংকের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও পরিচালনা পর্ষদের পরিচালক খায়রুল আলম চাকলাদার। অনুষ্টানে আরো বক্তব্য রাখেন দেশের বিশিষ্ট ব্যাংকার এটিএম আফসার, পরিবেশ অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক ড. মোস্তফা কামাল ফারুক, দিনাজপুর চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম, দিনাজপুর প্রেসকাবের সভাপতি চিত্ত ঘোষ, বাংলাদেশ এঙ ক্যাডেট এসোসিয়েশনের মহাসচিব মোস্তফা আজিজ মনসুর এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এনসিসি ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক টিএম ফারুক চৌধুরী। দিনাজপুরের ৮৫তম শাখা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও বোর্ড সেক্রেটারী নুরুল ইসলাম, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ফখরুল ইসলাম চৌধুরী, প্রধান কার্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান টিপু এবং দিনাজপুর শাখার ব্যবস্থাপক মোঃ জাকারিয়া।
প্রধান অতিথির ভাষনে এনসিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান নুরুন নেওয়াজ সেলিম বলেন, গত ১৮ বছর ধরে আমরা দেশের ব্যাংকিং সেক্টরে অত্যান্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে গ্রাহকদের সেবার পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রেখে আসছি। এনসিসি ব্যাংক শিঘ্রই দেশের শীর্ষ ব্যাংক হিসেবে সুনাম অর্জন করবে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ব্যবসা বান্ধব ব্যাংক হিসেবে আমরা সব ধরনের সেবা প্রদান করে গ্রাহকদের মন জয় করতে সচেষ্ট রয়েছি। কেবল মাত্র মুনাফার দৃষ্টিভঙ্গি না নিয়ে সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য বিভিন্ন ধরনের সমাজ সেবামূলক কর্মকান্ড পরিচালনার বর্ণনা দিয়ে নুরুল নেওয়াজ বলেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে দিনাজপুরের দুস্থ ও দরিদ্র মানুষকে শীতের কবল থেকে রার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক কম্বল ও শীত বস্ত্র প্রদান করা হবে। তিনি বলেন, আগামী ১ বছরের জন্য দিনাজপুরের ১০ জন দরিদ্র মেধাবী ছাত্রকে মাসিক ১ হাজার টাকা হারে শিাবৃত্তি প্রদান করা হবে। থ্যালাসামিনিয়া রোগের চিকিৎসা কেন্দ্রের মাধ্যমে রোগীরা যেন চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারে সেজন্য ব্যাংকের প থেকে সহায়তা প্রদান করা হবে।
পরে দিনাজপুর জেলা স্কুলে স্কুল ব্যাংকিং প্রডাক্টের শুভ উদ্বোধন করেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান নুরুন নেওয়াজ সেলিম। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শহরের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও ব্যবসায়ীগণ উপস্থিত ছিলেন।##
Posted in অর্থনীতি, জেলার খবর
Posted on 03 December 2011. Tags: অবিলম্বে পলস্নী রেশনিং চালুর দাবি তেমজুর সমিতির
স্টাফ রিপোর্টার (দিনাজপুর নিউজ ডট কম) ॥ শনিবার বাংলাদেশ ড়্গেতমজুর সমিতি খানসামা উপজেলা কমিটির সম্মেলন ড়্গেতমজুর নেতা মো: আফজাল হোসেনের সভাপতিত্বে পাকেরহাট কালচারাল একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ড়্গেতমজুর সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি ও দিনাজপুর জেলা কমিটির সভাপতি মো: গোলাম কিবরীয়া, জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো: রেয়াজুল ইসলাম রাজু , বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি দিনাজপুর জেলা সম্পাদক ম-লীর অন্যতম সদস্য কমরেড অধ্যাপক শওকত আলী, সৈয়দ মাহমুদ-উল হাসান হিটলার প্রমুখ ড়্গেতমজুর নেতৃবৃন্দ। বক্তাগণ তাদের বক্তৃতায় দাবি জানিয়ে বলেন যে অবিলম্বে ড়্গেতমজুরসহ গ্রামীণ মজুরদের জন্য পলস্নী রেশনিং চালু সহ ড়্গেতমজুরদের ন্যায্য দাবি মেনে নিতে হবে। দ্রব্য মুল্য নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। টিসিবিকে শক্তিশালী করতে হবে। প্রত্যেক ইউনিয়নে ন্যায্য মূল্যের দোকান চালু করতে হবে। “খাইখালাসি আইন” চালু করে এনজিও ঋণের জাল থেকে গরীব মানুষকে মুক্ত করতে হবে। কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা স্কীম চালু করতে হবে। আসন্ন বাজেটে ড়্গেতমজুরসহ গ্রামীণ মজুরদের জন্য পৃথক বরাদ্দ দিতে হবে। ‘১০০ দিনের কর্মসৃজন কর্মসূচী’ পুনরায় সব উপজেলায় চালু করতে হবে। কর্মসৃজন কর্মসূচী, কাবিখা, কাবিটা, টেস্ট রিলিফ, ভিজিডি, ভিজিএফ, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতাসহ বিভিন্ন গ্রামীণ প্রকল্পের দুর্ণীতি লুটপাট দলীয়করণ বন্ধ করতে হবে। ড়্গেতমজুরসহ গ্রামীণ মজুরদের জন্য পৃথক “পূর্ণাঙ্গ শ্রম আইন” প্রণয়ন করতে হবে। ড়্গেতমজুরদের শ্রমিক হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার দিতে হবে। নারী গ্রামীণ মজুরদের পুুরম্নষের সমান মজুরী দিতে হবে। ভূমি কমিশন গঠন করে খাস জমি, খস পুকুর, খাস জলাশয়- জলমহাল প্রকৃত ড়্গেতমজুর ভূমিহীনদের মধ্যে বরাদ্দ দিতে হবে। ভাসান পানিতে অবাধে মাছ ধরার অধিকার দিতে হবে। হাট বাজারে ইজারাদারি শোষণ-নির্যাতন, জুলুম বন্ধ করতে হবে।…….সম্মেলনে সর্বসম্মতভাবে নিম্নোক্তভাবে বাংলাদেশে ড়্গেতমজুর সমিতি খানসামা উপজেলা কমিটি গঠিত হয়। সভাপতি – মো: আফজাল হোসেন, সহসভাপতি মো: আকবর আলি, মোছা: আজিফা, মো: শফিকুল আলম, শ্রী প্রভাষ চন্দ্র রায় সাধারণ সম্পাদক পরিমল চন্দ্র দাস , কোষাধ্যড়্গ দিপ্তি রাণী রায়, দপ্তর সম্পাদক মোছা: শরিফা খাতুন, সমাজ সেবা সম্পাদক হরেন্দ্র নাথ রায় প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মিঠুন কুমার চক্্রবর্তি সাংগঠনিক সম্পাদক – মো: রবিউল ইসলাম সাংস্কৃতিক সম্পাদক – ধনেশ্বর চন্দ্র রায় নারী ড়্গেতমজুরদের স্বার্থ সংরড়্গন সম্পাদক মোছা: কাবেজা খাতুন, আইন সম্পাদক – মো: আবুল কাসেম, সদস্য- মোছা: জাহানারা খাতুন, মঙ্গল কিসকু, মো: ইয়াকুব আলী ম-ল, মো: ফজল মাস্টার, প্রমোদ চন্দ্র রায়, মো: ইলামোদ্দিন ও রেনান্দ্র নাথ রায়।
Posted in অর্থনীতি, জেলার খবর
Posted on 02 December 2011. Tags: সেতাবগঞ্জ চিনিকলে আখ মাড়াই শুরু
স্টাফ রিপোর্টার (দিনাজপুর নিউজ ডট কম) ॥ একশ’ ৩৯ কোটি টাকা লোকসানের বোঝা মাথায় নিয়ে দিনাজপুর জেলার ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান সেতাবগঞ্জ চিনিকল ২০১১-২০১২ মৌসুমে আখ মাড়াই শুরু হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার বিকেল ৩ টায় প্রবীন আখচাষী হাফিজুর রহমান ও মিলের প্রবীন কর্মচারী বাবু বাশি রায় ডোঙ্গায় আখ নিপে করে আখ মাড়াই মৌসুমের উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সেতাবগঞ্জ চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবুল রফিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সেতাবগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আব্দুস সবুর, সেতাবগঞ্জ চিনিকল শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ওবায়দুল হক, সাধারন সম্পাদক হাবিবুর রহমান দুলাল, উপজেলা আওয়ামলীগের সাধারন সম্পাদক আবু সৈয়দ হোসেন, আখচাষী সমিতির সভাপতি হামিদুর রহমান, সাধারন সম্পাদক আলী মর্তুজা প্রমুখ।
মিল সুত্রে জানা গেছে, চলতি মাড়াই মৌসুমে ৬০ হাজার মেঃটন আখ মাড়াই করে ৭.৫ গড় রিকোভারীর ভিত্তিতে ৪ হাজার ৫শত মেঃটন চিনি উৎপাদনের ল্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে। মিলের মাড়াই মতা অনুযায়ী প্রতিদিন ১২ হাজার ৫শ মেঃটন আখ মাড়াই করা হবে। এই ল্যমাত্রায় মিলটি চালু থাকবে ৫৫ দিন।
সেতাবগঞ্জ সুগার মিলটি সর্ব প্রথম চালু হয় ১৯৩৩ সালে পরবর্তীতে এটিকে আধুনিককরণ করে পুনরায় নুতনভাবে (২য় বার) ১৯৮৩ সালে চালূ করা হয়। কিন্তুু কাঁচা মালের স্বল্পতা, ব্যাংক ঋণ, অব্যবস্থাপনার কারনে বন্ধের উপক্রম হয়েছে মিলটি। গত কয়েক বছর ধারাবাহিক লোকসান, উন্নতজাতের আখের বীজ উদ্ভাবন না হওয়া, মেইন্টেনেসের নামে অর্থ লোপাট এবং ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট এজন্য দায়ী।
এ ব্যাপারে সেতাবগঞ্জ চিনি কলের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ মোহাম্মদ আবুল রফিক জানান, আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে এই চিনিকল থেকে এবারে ল্যমাত্রা পুরন করা সম্ভব হবে।
কাঙ্খিত আখ মিলে সরবরাহ হলে ও গড় রিকোভারীর হার বজায় থাকলে সকল েত্ের ল্য মাত্র্া অর্জিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বছর এ মিলটি ৬৮ হাজার ২৪৭ মেট্রিকটন আখ মাড়াই করে চিনি উৎপাদন করেছে ৪হাজার ৫৪০ মেট্রিকটন। মিল চলেছে ৬৫ দিন। গড় রিকোভারী ছিল ৬.৬৫।
Posted in অর্থনীতি, জেলার খবর, বোচাগঞ্জ
Posted on 30 November 2011. Tags: দিনাজপুর পৌর শহরে ৯ হাজার মিটার টেলিফোন তার চুরি
স্টাফ রিপোর্টার (দিনাজপুর নিউজ ডট কম) ॥ দিনাজপুর পৌর শহরে গত ৩মাসে ২৬টি মহল্লার ১২৮টি বাড়ীর ৯ হাজার মিটার টেলিফোন তার চুরি হয়েছে। যার মূল্য ১ লাখ ২২ হাজার ৪শত টাকা। এ ব্যাপারে বিটিসিএল দিনাজপুর অফিস পুলিশ সুপার বরাবর অভিযোগ করলেও তার চুরি রোধে প্রয়োজনীয় পদপে গ্রহণ না করাতে টেলিফোন ব্যবহারকারী ও টিএনটি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে ােভ ও হতাশা বিরাজ করছে।
পুলিশ সুপার বরাবর দেয়া অভিযোগ এবং গত ৩০/১০/১১ ইং তারিখে অনুষ্ঠিত জেলা প্রশানের সম্মেলন ক েমাসিক সমন্বয় সভায় বিটিসিএল কর্তৃক দেয়া তথ্য অনুযায়ী জানা যায়, চলতি বছরের গত ৩ মাসে দিনাজপুর পৌরসভার অর্ন্তগত গনেশতলা, পাহাড়পুর, বালুয়াডাঙ্গা, নতুন ঘাসিপাড়া, মিশন রোড, ত্রেীপাড়া, পাটুয়াপাড়া, বাহাদুর বাজার, বালুবাড়ী, নিমনগর বালুবাড়ী, মুন্সিপাড়া, ফকিরপাড়া, শেখপুরা, রাজবাটী, বড়বন্দর, ৭ নম্বর উপশহর, ঘাসিপাড়া, পুলহাট, বড়গুড়গোলা, ছোটগুড়গোলা, রামনগর, কালিতলা, গোপালগঞ্জ, সর্দারপাড়া ও গোলাপবাগ মহল্লার ১২৮টি বাড়ী হতে ৯ হাজার মিটার টেলিফোন তার চুরি হয়। যার আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ২২ হাজার ৪শত টাকা।
অভিযোগে আরো বলা হয়েছে, দিনাজপুর শহরে বিভিন্ন এলাকা হতে প্রতিনিয়ত অহরহ তার চুরি হচ্ছে। সমপ্রতি এই তার চুরির প্রবনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যাপকহারে তার চুরির কারণে বিপুল পরিমাণ সরকারী অর্থ তি সাধন হচ্ছে অপরদিকে চুরিজনিত টেলিফোন নাম্বার গুলির সার্ভিস বন্ধ থাকায় গ্রাহকরা ভোগান্তির সম্মুখিন হচ্ছেন এবং সরকারী রাজ্স্ব আয়ও তিগ্রস্থ হচ্ছে। খোজ নিয়ে দেখা গেছে, তার চুরি ব্যাপকতা দিনাজপুরের মত অন্য কোন জেলায় সংগঠিত হয়নি। বিষয়টি বর্তমানে সকলের কাছে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এব্যাপারে বিটিসিএল এর বিভাগীয় প্রকৌশলী মোঃ জিয়াউল করিমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ব্যাপকহারে তার চুরি হওয়ার কারণে সুষ্ঠুভাবে টেলিফোন সার্ভিস প্রদান করা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। ধারণা করা হচ্ছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র এই নাশকতা কাজে লিপ্ত রয়েছে। গ্রাহকদের ধারনা তার চুরি রোধে পুলিশ প্রশাসনের তৎপরতা জোরদার করা প্রয়োজন।
Posted in অর্থনীতি, জেলার খবর, সদর
Posted on 30 November 2011. Tags: তেঁতুলিয়ায় দীর্ঘ ২০ বছর পর সরকারি রাসত্মা উদ্ধার
তেঁতুলিয়া (দিনাজপুর নিউজ ডট কম) ॥ পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলায় দীর্ঘ ২০ বছর পর সরকারি রাসত্মা উদ্ধার করা হয়েছে। গিতালগছ পাকা রাসত্মা হতে সাইড গরা নামক সরকারি রাসত্মা কতিপয় ব্যক্তির দখলে থাকায় ওই রাসত্মাটি অদ্যবদি উদ্ধার করা কোন চেয়ারম্যান এর পড়্গে সম্ভব হয় নি। গত ২৪ নভেম্বর/১১ ইউ’পি চেয়ারম্যান ৬নং ভজনপুর ইউ’পির চেয়ারম্যান মোসত্মফা কামাল স্বপনের নেতৃত্বে উক্ত ওয়াডের সদস্য মোঃ শামসুল হক ও অন্যান্য ইউ’পি সদস্য সদস্যাদের সহযোগিতায় রাসত্মাটি উদ্ধার করা হয়। রাসত্মাটি উদ্ধার হওয়ায় ওই এলাকার ডাক্তারপাড়া, গিতালগজ, ডিমাগজ, কুড়ানুগজ, খালপাড়া, ডাঙ্গাপাড়া ও চান্দিয়া গজ সহ ৫নং বুড়াবুড়ি ইউ’পির শিলাইকুটি রাজুগছ, নাওয়াপাড়া, গুনাগজ ও চৌধুরীগজ সহ প্রায় ১০/১৫ টি গ্রামের হাজার হাজার মানুষের চলাচলের সুবিধা পাবে। অপরদিকে ৬নং ইউ’পির গিতালগছ হতে পশ্চিমে দের কিঃমিঃ দৈর্ঘ্য ভেরসা নদীর ওপারে ৫নং ইউ’পির নাওয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় আসা ছাত্র/ছাত্রীদেরকে ১৪ কিঃমি রাসত্মা অতিক্রম করে আসতে হতো। এই রাসত্মা উদ্ধারের কারণে ছাত্র/ছাত্রীরা মাত্র দুই কিঃমিঃ রাসত্মা অতিক্রম করেই এখন থেকে বিদ্যালয়ে আসতে পারবে। কৃষকরা গরম্ন, ছাগল নিয়ে মাঠে চড়ানো সহ কৃষি কাজের জন্য অনায়াসে তাদের ড়্গেতের পরিচর্চা করতে পারবে। এ রাসত্মাটি সংস্কার হলে বাধের কাজ সহ হাজার হাজার কৃষক সেচ সুবিদা পাবে। এই রাসত্মা উদ্ধারের কারণে এলাকাবাসী চেয়ারম্যান মোসত্মফা কামাল স্বপন কে ধন্যবাদ জানান এবং সাথে সাথে ভেড়সা নদীর উপর ব্রীজ নির্মাণের জন্য জোর দাবি জানান।
Posted in অর্থনীতি, পঞ্চগড়
Posted on 30 November 2011. Tags: দিনাজপুরের মৃৎ শিল্প এখন মৃত প্রায়
স্টাফ রিপোর্টার (দিনাজপুর নিউজ ডট কম) ॥ প্রয়োজনীয় উপকরনের মুল্য বৃদ্ধি, সহজলভ্যতা হ্রাস, পুঁজির অভাব এবং প্লাষ্টিকের ভৈজসপত্রের সঙ্গে অসম প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে দিনাজপুরের এককালের ঐতিহ্যবাহী মৃৎ শিল্প বিলুপ্তির পথে। মৃৎ শিল্পের সাথে জড়িতদের পরিবারে নেমে এসেছে দুর্দিন। তাদের অভিযোগ কোন এনজিও বা সরকার এই শিল্পের বিকাশে কোন প্রকার সাহায্য সহযোগীতা করে না।
দিনাজপুর জেলা শহরের কুমারপাড়া, রেলবাজার, খানপুর, বালাপাড়া, চিরিরবন্দরের ঘুঘরাতলী, খানসামার পাকেরহাট, আমবাড়ীর কুমারপাড়া, ফুলবাড়ীর কাটাবাড়ী, বিরামপুর হাড়িপাড়া, পার্বতীপুরের ভবানীপুর কুমারপাড়া, ঘোড়াঘাটে কুঠিবাড়ী, কাজীরবন পালপাড়া, বড়গলী, বালুপাড়া ও ত্রীমোহনী পাঁচপীর পালপাড়ার কয়েকশ’ পরিবার মৃৎ শিল্পের সাথে জড়িত। উপকরনের অভাব ও আর্থিক অসচ্ছলতার কারনে মৃৎ শিল্পীরা পৈত্রিক পেশা ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন। মৃৎ শিল্পে ব্যবহৃত সামগ্রীর দুষপ্রাপ্যতা ও মুল্য বৃদ্ধির কারনে উৎপাদন ব্যায়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপুর্ন বাজার মুল্য কুমাররা পাচ্ছে না।
পাঁচপীরের পালপাড়ার নিলচাঁদ ও গীতালি রানী জানান, মৃৎ শিল্পের জন্য প্রয়োজন হয় এক প্রকার বিশেষ মাটি ও পোড়ানের জন্য তুষ ও খড় জাতীয় জ্বালানী। আগে মাটি ও বালু সহ খড় কুটা বিনা মুল্যে সংগ্রহ করা যেত, বর্তমানে সেই মাটি ও খড় টাকা দিয়ে কিনতে হয়। যে কারনে উৎপাদন খরচ আগের তুলনায় অনেক বেশী হচ্ছে।
আমবাড়ী কুমারপাড়ার সঞ্জয় চন্দ্র জানান, এখান থেকে জেলা শহরে কিংবা বিভিন্ন হাট-বাজারে তাদের পন্য বাজারজাত করতে পরিবহন খরচও বেড়ে দ্বিগুন হয়েছে। গাড়ীভাড়া দিতেই বেশিরভাগ অর্থ ব্যায় হয়ে যায়।
ফুলবাড়ীর কাটাপাড়া গ্রামের মানিক পাল জানান, মানুষজন গৃহাস্থালীর কাজে আগের মত আর মৃৎ শিল্পের দিকে নজর না দিয়ে সহজ লভ্য ও টেকসই প্লাস্টিক, মেলামাইন, অ্যালুমিনিয়াম, টিন ইত্যাদি জিনিসপত্রের দিকে ঝুকে পড়ছে। এ সমস্ত কারনে মৃৎ শিল্প প্রতিযোগিতায় দিনকে দিন পিছিয়ে পড়ছে।
তবে তিনি জানান, কুমাররা তাদের বাপ দাদার ব্যবসা ছাড়তে নারাজ। তাদের অভিযোগ এই শিল্পে সরকারী ও বেসরকারী উদ্যোগ ও সহযোগীতা পেলে মৃত শিল্পের আবারও সুদিন আসবে।
Posted in অর্থনীতি, জেলার খবর
Posted on 30 November 2011. Tags: দিনাজপুরে ২১ হাজার হেক্টর জমিতে গম চাষে ল্যমাত্রা নির্ধারন
স্টাফ রিপোর্টার (দিনাজপুর নিউজ ডট কম) ॥ দিনাজপুর জেলার ১৩টি উপজেলায় এবাবের চলতি মৌসুমে ২১ হাজার ৫২১ হেক্টর জমিতে গম চাষের ল্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে। ল্যমাত্রা অনুযায়ী উৎপাদন হবে ৬২ হাজার ৪১১ মেট্টিক টন গম।
দিনাজপুর কৃষি অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আনোয়ারুল আলম জানান, চলতি মৌসুমে জেলায় গম চাষ কার্যক্রম শুরু হয়ে গেছে। গত অক্টোবর মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে জেলার উচুঁ এলাকার জমির ধান সহ অন্যান্য ফসল কর্তনের পর ওই জমিতে পুণরায় গম চাষ করা হচ্ছে। এই ল্যে কৃষকেরা উচ্চ ফলনশীল গমের বীজ বোপনের উপর গুরুত্ব দিচ্ছে। গত বছর জেলায় উন্নত জাতের গম কাঞ্চন, সতাব্দী, গৌরব, সৌরব, প্রদিপ, ঝলক ও সোনালিকা জাতের বীজ বোপনে কৃষকদের উৎসাহ বেশি দেয়া হচ্ছে। উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের মাঠ কর্মকতাগণ চাষীদের উন্নত জাতের ও উচ্চ ফলনশীল গম বীজ বোপনে সার্বণিক সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে। গম চাষীদের বিএডিসি সংরতি ভাল মানের বীজ ক্রয়ে পরমার্শ দেয়া হচ্ছে। ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত জেলার ১৩টি উপজেলার ১০১টি ইউনিয়নের উচুঁ ও নদীর জেগে উঠা চরের জমিতে সাড়ে ১১ হাজার হেক্টর জমিতে গম বীজ বোপন করা হয়েছে। আমন ধান কর্র্তনের পর মাঝারি ও নিচু জমিতেও গম বীজ বোপন করা হবে। অনুকূল আবহাওয়া ও সুষ্ঠু পরিবেশ থাকলে ল্যমাত্রা অতিরিক্ত গম চাষ অর্জিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গমের বাম্পার উৎপাদনের জন্য সেচ যন্ত্র সচল রাখতে বিদ্যুৎ এবং ডিজেলা চালিত গভীর ও অগভীর নলকূপগুলো চালু রাখা হয়েছে। নিরাবিচ্ছন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় সেচ কাজে সহায়তা দিতে সংশ্লিষ্ট এলাকার পল্লী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সাথে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। গম চাষে প্রয়োজনীয় রাসায়নিক সার ও কীটনাশক সরবরাহ পর্যাপ্ত রয়েছে।
এবারে জেলায় ২১ হাজার ৫২১ হেক্টর জমিতে গম চাষের ল্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। উৎপাদন ল্যমাত্রা নির্ধারন করা হয় হেক্টর প্রতি ২দশমিক ৯০ মেট্টিক টন গম। ল্যমাত্রা অনুযায়ী গম অর্জিত হলে উৎপদন হবে ৬২ হাজার ৪১১ মেট্টিক টন। গত অক্টোবর মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে গম বোপন শুরু হয়ে আগামী ৩১ ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত গম চাষ অব্যাহত থাকবে। এখন যে সব জমিতে রবি শস্য সরিষা, বিভিন্ন ধরনের ডাল ও আলু রয়েছে, ওই সব জমির রবি শস্য উঠার পর পুনরায় কৃষকেরা অতিরিক্ত ফসল হিসাবে গম চাষ করতে পারবে। সে ল্যেই কৃষি অধিদপ্তর কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে।
সূত্রটি জানায়, গত বছর জেলা ২১ হাজার ৬০৫ হেক্টর জমিতে গম চাষ অর্জিত হয়েছিল। উৎপাদন হয়েছিল ৬২ হাজার ৬৫৫ মেট্টিক টন গম। বাজারে পর্যাপ্ত গমের চাহিদা থাকার কারণে গত বছর গম মাড়াইয়ের পর ৮শ থেকে ৯শ টাকা মন দরে বিক্রি হয়েছে। চলতি বছর গমের যথেষ্ট চাহিদা থাকবে এবং উৎপাদিত গমের মূল্য কৃষকেরা ভাল পাবে। অনুকুল আবহাওয়া এবং কোন প্রাকৃতিক দূযোর্গ সৃষ্টি না হলে ল্যমাত্রার অতিরিক্ত গম অর্জিত ও উৎপাদন হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।
Posted in অর্থনীতি, কৃষি, জেলার খবর
Posted on 26 November 2011. Tags: দিনাজপুর চেম্বারে প্রশাসক নিয়োগ ॥ ১২০ দিনের মধ্যে নির্বাচন
স্টাফ রিপোর্টার (দিনাজপুর নিউজ ডট কম) ॥ হাইকোর্ট বিভাগ দিনাজপুর চেম্বার অব কমার্সের প্রশাসক নিয়োগের সরকারী সিদ্ধান্তকে ৩ মাসের জন্য স্থগিত করে বাণিজ্য সচিবসহ ৪ জনের উপর রুলনিশি জারি করা হয়েছে।
বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের বাণিজ্য সংগঠন শাখার পরিচালক (উপসচিব) নাজমুল হাসান মজুমদার গত ৯ নভেম্বর বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের/টি ও-১/সি-৯/৯২(অংশ-৩)/৪৭৫ স্মারকে দিনাজপুর জেলার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট কে দিনাজপুর চেম্বারের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দানের আদেশ দেন। মন্ত্রনালয়ের উক্ত আদেশের প্রেতিে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ আজিজুল ইসলাম গত ১০ নভেম্বর প্রশাসক হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। মন্ত্রনালয়ের আদেশে উল্লেখ করা হয় যে, নির্বাচন অনুষ্ঠানে আদালতের কোন নিষেধাজ্ঞা না থাকলে চেম্বারের প্রশাসক আদেশ জারির তারিখ হতে ১২০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠান এবং চেম্বারের নিয়মিত কার্যক্রম সম্পাদন করবেন।
উক্ত প্রশাসক নিয়োগের আদেশের বিরুদ্ধে চেম্বারের সদ্য সাবেক সভাপতি মিনু বাদী হয়ে বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক অধিকারের ২৭,৩১ ও ৩৮ ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনে রীট দায়ের করেন। রীট নাম্বার ৯৫০৪। মহামান্য হাইকোর্টের বিচারপতি এএইচএম সামসুদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ গত ২০ নভেম্বর বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের আদেশে দিনাজপুর চেম্বারে প্রশাসক হিসেবে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের নিয়োগ ৩ মাসের জন্য স্থগিত ঘোষনা এবং জারিকৃত রুল নিশির জবাব আগামী ৩ সপ্তাহের মধ্যে প্রদানের আদেশ দেন।
যাদের উপর রুল নিশি জারী করা হয়েছে তাঁরা হলেন বাণিজ্য সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের পরিচালক বাণিজ্য সংগঠন শাখার নাজমুল আহসান মজুমদার, দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক এবং দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট। রুল নিশিতে বলা হয় প্রশাসক নিয়োগের আদেশকে কেন আইন বহির্ভূত ও কর্তৃত্ব পূর্ণ নয় বলে ঘোষনা করা হবে না মর্মে কারণ দর্শানোর জবাব ৩ সপ্তাহের মধ্যে দাখিল করতে হবে।
দিনাজপুর চেম্বারের ২০১১-১৩ মেয়াদের নির্বাচন অনুষ্ঠানের দিন ধার্য্য করা হয় গত ২৯ জুলাই কিন্তু সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম ভোটার তালিকার অন্তর্ভুক্ত সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনয়ন করলে নির্বাচন নিয়ে জটিলতার সৃষ্টি হয়। গত ১৮ আগষ্ট বর্তমান কমিটি মেয়াদ শেষ হলে বাণিজ্য মন্ত্রনালয় গত ৯ নভেম্বর প্রশাসক নিয়োগের আদেশ প্রদান করে।
হাইকোর্টের প্রশাসক নিয়োগের স্থগিতাদেশ সম্পর্কে চেম্বারের প্রশাসক ও এডিএম মোঃ আজিজুল ইসলামকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, হাইকোর্টের কোন আদেশ এখন পর্যন্ত তিনি পাননি। আদেশ পাওয়ার পর আইনের প্রতি যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা প্রদর্শন করে পরবর্তী উদ্যোগ নেয়া হবে বলে তিনি জানান।
Posted in অর্থনীতি, জেলার খবর, সদর
Posted on 26 November 2011. Tags: পীরগঞ্জের নধাবাড়ী-ভাদুয়া ব্রীজটি এখন মরণ ফাঁদ
পীরগঞ্জ (দিনাজপুর নিউজ ডট কম) ॥ জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার ৫নং সৈয়দপুর ইউনিযনের নধাবাড়ী হতে ভাদুয়া সড়কে অবস্থিত ব্রিটিশ আমলে নির্মিত ব্রীজটির একাংশ ভেঙ্গে গিয়ে মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। অর্ধেক ভাঙ্গা অংশ দিয়েই চলাচল করছে মানুষ। সাইকেল মোটর সাইকেল ছাড়া এ সড়ক দিয়ে অন্যান্য যানবাহন চলাচল রয়েছে বন্ধ।
ব্রীজটির দড়্গিন অংশ ভেঙ্গে গিয়ে হেলে পড়েছে। ফলে এলাকার লড়্গাধিক মানুষ ঔ ব্রীজের উপর দিয়েই জীবনের ঝুকি নিয়ে চলাচল করছে। সৈয়দপুর ইউনিয়নের ভাবনাগঞ্জ-ভাদুয়া গ্রামের মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত ব্রীজটির একাংশ ধ্বসে গিয়ে ঝুকিপূর্ন হয়ে রয়েছে। আশে-পাশের গ্রামের সাথে সংযোগ রড়্গকারী এব্রীজটি নির্মানের পর থেকে সংস্কার না হওয়ায় সমপ্রতি ধ্বসে যায়। এরপর এলাকার গণ্যমাণ্য ব্যাক্তিদের উদ্যোগে বাশের চাটাইয়ের বেড়া দিয়ে কোন রকমে সাধারন মানুষের চলাচলের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। আসন্ন বর্ষা মৌসুমে ব্রীজটি সম্পূর্ন রম্নপে ভেঙ্গে গিয়ে দুপাড়ের লড়্গাধিক মানুশের চলাচল বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। ইতিমধ্যে ব্রীজ সংলগ্ন সড়কের বেশীর ভাগ মাটি ড়্গয়ে গিয়ে জনগনের চলাচলে বিঘ্নের সৃষ্টি করেছে। ব্রীটিশ আমলে নির্মিত এ ব্রীজটির সংস্কার আবশ্যক হলেও উপজেলা প্রকৌশল বিভাগের এ বিষয়ে কোন মাথা ব্যাথা নেই। পাশ্ববর্তী যুক্তিপাড়া গ্রামের লুৎফর রহমান ও কোষাবন্দরের রকশেদ আলী বলেন ব্রীজটির সংস্কার না থাকায় যে কোন মুহূত্বে ভেঙ্গে পড়ে বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। ব্রীজটির উপর দিয়ে পাশ্ববর্তী ভাদুয়া, নধাবাড়ী সহ কয়েকটি গ্রামের লোকজন যাতায়াত করে। সম্পূর্নরম্নপে ভেঙ্গে পড়ার আগেই ব্রীজটি পূন: নির্মান করা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।
Posted in অর্থনীতি, ঠাকুরগাঁও
Posted on 26 November 2011. Tags: হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ
হিলি (দিনাজপুর নিউজ ডট কম) ॥ হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধের ডাক দিয়েছে ভারতের দেশের ট্রাক মালিক গ্রম্নপ ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসসিয়েসন। ফলে শতাধিক পন্যবাহি ট্রাক আটকা পড়েছে ভারতে।
ভারতের রপ্তানিকৃত পন্যবাহী ট্রাকের সাথে থাকা হেলপারের সাথে বৈধ কাগজপত্র না থাকায় সীমানত্ম রড়্গী বাহিনি বিএসএফ বাংলাদেশে হেলপারকে প্রবেশে বাধা দেয়। এর প্রতিবাদে ভারতের ট্রাক মালিক গ্রম্নপ ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসসিয়েসন গতকাল বিকাল ৪টা থেকে হিলি স্থলবন্দরে অনিদৃষ্ট কালের জন্য রপ্তানি বন্ধ করে দেয়।
এবিষয়ে বাংলাহিলি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েসনের সাধারন সম্পাদক লিটন বলেন, ট্রাকের হেলপাদের প্রবেশ করতে না দেওয়া পর্যনত্ম এই অবরোধ চলবে বলে জানিয়েছেন ভারত সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসসিয়েসন।
ভারত থেকে রপ্তানি কৃত পন্যবাহি ট্রাকের হেলপাররা কাগজপত্র ছাড়ায় এতদিন প্রবেশ করলেও গতকাল শনিবার বিকেল ৪টা থেকে সে দেশের বিএসএফ ন্যাশনাল আইডি কার্ডসহ যাবতিয় বৈধ কাগজপত্র দেখতে চায় এবং না পাওয়া প্রবেশে বাধার সৃষ্টি করে।
তবে বাংলাহিলির কাচামাল আমদানি কারক মোবারক হোসেন ব্যবসায়িরা বলন, এতে করে শতাধিক কাচামাল পন্যসহ ট্রাক ভারতে আটকা পড়ায় লড়্গ লড়্গ টাকা ড়্গতির সম্ভাবনা রয়েছে।
Posted in অর্থনীতি, জেলার খবর, হাকিমপুর
Posted on 25 November 2011. Tags: দিনাজপুরে ওষুধ ব্যবসায়ীদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট প্রত্যাহার
স্টাফ রিপোর্টার (দিনাজপুর নিউজ ডট কম) ॥ দিনাজপুরে কেমিষ্ট এন্ড ড্রাগিষ্টস্ সমিতির ডাকা ওষুধ ব্যবসায়ীদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার দুপুর দেড়টায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের কর্তৃক ওষুধ ব্যবসায়ীদের দাবী মেনে আশ্বাসের প্রেড়্গিতে এই ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফলে দুপুর ২ টা থেকে দিনাজপুরের সকল ওষুধের দোকান খুলে দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ৭ টা থেকে ৩ দফা দাবিতে এই ধর্মঘট পালিত হচ্ছিল। ৩ দফা দাবিগুলো হলো- দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (দিমেক) অভ্যন্তরে শহিদুল ফার্মেসীকে ঘোষণা দিয়ে বিদায় গ্রহন, সমিতির সভাপতিসহ অন্যান্য সদস্যদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা বিনাশর্তে প্রত্যাহার ও দিমেক হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা: জহুরুল ইসলামকে অন্যত্র বদলি।
কেমিষ্ট এন্ড ড্রাগিষ্টস্ সমিতির সাধারন সম্পাদক হাবিবুর রহমান জানান, গতকাল শুক্রবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আজিজুল ইসলামের সাথে ওষুধ ব্যবসায়ীদের আলোচনা হয়েছে। আলোচনায় হাসপাতালের অভ্যনত্মরে ওষুধের দোকান বন্ধ করা এবং কেমিষ্ট এন্ড ড্রাগিষ্টস্ সমিতির নেতৃবৃন্দের বিরম্নদ্ধে দায়ের করা মামলার সুষ্ঠু বিচার করার আশ্বাস প্রদান করা হয়। এই আশ্বাসের প্রেড়্গিতে ওষুধ ব্যবসায়ীরা তাদের ডাকা অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নিয়েছে। বৈঠকের পর হাসপাতালের ওষুধ দোকানটি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।
সমিতির দিনাজপুর শাখার সভাপতি আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন আহম্মেদ জানান, আংশিক দাবি মেনে নেয়ার প্রেড়্গিতে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে শহরে মাইকিং করে সকলকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
দিনাজপুর জেলা প্রশাসক জামাল উদ্দিন আহমেদ জানান, কোনভাবেই আর হাসপাতালের অভ্যনত্মরে ওষুধের দোকান খুলতে দেওয়া হবে না। যদি খোলা হয় তাহলে আমি নিজে তার বিরম্নদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। তিনি জানান, ওষুধ ব্যবসায়ীদের বিরম্নদ্ধে দায়েরকরা মামলার অভিযোগের সঠিক তদনত্ম করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন যাবত দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অভ্যনত্মরে নিয়ম বর্হিভূতভাবে একটি ওষুধের দোকান খোলা হয়। এ ব্যাপারে ওষুধ ব্যবসায়ীরা বারবার কর্তৃপড়্গকে অবহিত করলেও কর্তৃপড়্গ এর বিরম্নদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করে না। পরে ওষুধ ব্যবসায়ীরা আন্দোলনে গেলে গত ৬ অক্টোবর হাসপাতাল কর্তৃপ ও দিনাজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ইকবালুর রহিম ওই ওষুধের দোকানটি ৩০ অক্টোবরের মধ্যে তুলে দেয়ার আশ্বাস প্রদান করেন। কিন্তু এরপরেও ১৮ নভেম্বর থেকে সহিদুল ফার্মেসী পুনরায় খোলা হয়।
এর প্রেড়্গিতে গত মঙ্গলবার দুপুরে দিনাজপুর জেলা কেমিষ্ট এন্ড ড্রাগিষ্টস্ সমিতি ৩ দফা দাবী জানিয়ে দিনাজপুর প্রেসকাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম দেয়। কিন্তু বুধবার পর্যন্ত কর্তৃপ কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করায় বুধবার সন্ধ্যায় সমিতির সদস্যরা তাদের নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে বৃহস্পতিবার সকাল ৭ টা থেকে ধর্মঘটে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। বুধবার রাতে ধর্মঘটের ব্যাপারে তারা শহরে মাইকিং করে।
Posted in অর্থনীতি, জেলার খবর, সদর
Posted on 25 November 2011. Tags: ঠাকুরগাঁওয়ে ধানের েেত বধূর মায়া
ঠাকুরগাঁও (দিনাজপুর নিউজ ডট কম) ॥ ঠাকুররগাঁওয়ে চলছে আমন ধান কাটার মওসুম। ব্যস্ত কৃষকেরা। একেবারেই ফুরসত নেই। বাড়িতে এসে খাবার খেলো।
ঠাকুরগাঁওয়ে চলছে আমন ধান কাটার মওসুম। ব্যস্ত কৃষকেরা। একেবারেই ফুরসত নেই। বাড়িতে এসে খাবার খেলে পাছে কাজ পিছিয়ে যায় এই ভেবে কিলোমিটার খানেক পথ পাড়ি দিয়ে স্বামীর জন্য খাবার বয়ে এনে পাশে বসে খাওয়াচ্ছেন এক বধূ। ছবিটি ঠাকুরগাঁওয়ের সদর উপজেলার মাটিগাড়া গ্রাম থেকে তোলা খেতজুড়ে পাকা আমন ধান। উজ্জ্বল রোদে সোনার ঝিলিক খেলে নুয়ে পড়া পুষ্টু ধানের শিষে। সে দৃশ্যে খুশির আভা ফোটে কৃষকের চোখেমুখে। কাস্তের টানে মুঠি মুঠি কাটে ধানগাছ। কৃষকের রোদে পোড়া দেহের ঘামঝরা কষ্ট একসময় চাগিয়ে তোলে খিদে। কিন্তু বাড়ি গিয়ে খেয়ে আসার ফুরসত কোথায় ? তবে তাঁর বধূটি ঠিকই জানে কখন একফাঁকে স্বামীকে খাইয়ে আসতে হবে।
সোমবার বেলা ১১টার দিকে ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল উপজেলার মাধবপুর গ্রামে এমন এক বধূর দেখা মেলে। সাধনা রানী নামের এই গাঁয়ের বধূ স্বামীর জন্য খাবার নিয়ে যাচ্ছিলেন। বাড়ি থেকে খেতের দূরত্ব এক কিলোমিটার তো হবেই। মাথায় খাবারের পোঁটলা নিয়ে খেতের আইল ধরে যাচ্ছিলেন সাধনা। হাতে পানিভরা জগ। আলাপ করার চেষ্টা করতেই সাধনা মৃদু হেসে বললেন, ‘ধানের খেতত স্বামীর জন্যি খাবার নিয়ে যাচ্ছি। হামার তাড়া আছে। কথা বলতি হলে মাঠে চলো।’ চপল পায়ে এগিয়ে চলা বধূটির সঙ্গে খেতে গিয়ে দেখা গেল, ধান কাটায় ব্যস্ত একদল কৃষক। সাধনার সাড়া পেয়ে কাজ ফেলে উঠে এলেন স্বামী সুসেন্দ্র নাথ। খেতেই একচিলতে ফাঁকা জায়গায় বসে গেলেন তিনি। স্বামীর জন্য সযত্নে খাবার সাজালেন সাধনা। হাপুস-হুপুস করে খেতে লাগলেন স্বামী। শিগগিরই আবার কাস্তে চালাতে হবে।
সুসেন্দ্র নাথ জানান, ১৯৮৬ সালে বিয়ে করেছেন তাঁরা। তিন ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে সংসার। খেতে মজুরি খেটে জীবিকা চালাতে হয়। ধান কাটার মৌসুমে সময় বাঁচাতে বাড়ি যাওয়া হয় না। তখন তাঁর স্ত্রী রোজ এভাবে খেতে এসে তাঁকে খাইয়ে যান।
সাধনা রানী বলেন, এভাবে প্রতিদিন স্বামীকে খাইয়ে তৃপ্তি পান তিনি। তাঁকে যে না খেয়ে খাটতে হচ্ছে না এতেই সাধনার সুখ।
Posted in অর্থনীতি, কৃষি, জেলার খবর
Posted on 24 November 2011. Tags: দিনাজপুরে সকল ওষুধের দোকান অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু ॥ বৈঠক ভন্ডুল
স্টাফ রিপোর্টার (দিনাজপুর নিউজ ডট কম) ॥ পূর্ব ঘোষিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৩ দফা দাবিতে দিনাজপুরের সকল ওষুধের দোকানদাররা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরম্ন করেছে। এদিকে ধর্মঘটের প্রথম দিনে দুপুর দেড়টায় জেলা প্রশাসকের সাথে সমিতির নেতৃবৃন্দের আলোচনা বৈঠক কোন প্রকার সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয়েছে।
অপরদিকে ওষুধের দোকানগুলো বন্ধ থাকায় রোগী ও তাদের আত্মীয়-স্বজনরা বিপাকে পড়েছে। দিনাজপুরের কোথাও ওষুধের দোকান খোলা না থাকায় চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৭ টা থেকে বাংলাদেশ কেমিষ্ট এন্ড ড্রাগিষ্টস্ সমিতি দিনাজপুর জেলা শাখার ডাকে ওষুধ ব্যবসায়ীরা এই ধর্মঘট পালন করছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৭ টা থেকে দিনাজপুরের সকল ওষুধের দোকান বন্ধ রয়েছে। ৩ দফা দাবিগুলো হলো- দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (দিমেক) অভ্যন্তরে শহিদুল ফার্মেসীকে ঘোষণা দিয়ে বিদায় গ্রহন, সমিতির সভাপতিসহ অন্যান্য সদস্যদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা বিনাশর্তে প্রত্যাহার ও দিমেক হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা: জহুরুল ইসলামকে অন্যত্র বদলি।
সমিতির নেতৃবৃন্দ জানান, দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিতরে সহিদুল ফার্মেসী নামের একটি ঔষধের দোকান রয়েছে কয়েক মাস ধরে। সমিতির দাবী এ দোকানটি তুলে দেয়ার। কারণ ভিতরে দোকান থাকার কারণে হাসপাতালের বাইরের ঔষদের দোকানদাররা তিগ্রস্থ হচ্ছেন। এই দোকানটি সরাতে গিয়ে এর আগে অপ্রীতিকর অবস্থারও সৃষ্টি হয়েছিল। ফলে বিষয়টি নিয়ে মামলা মোকদ্দমাও হয়েছে। এতে সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ আরো কয়েকজনকে আসামী করা হয়েছে। পরবর্তীতে ব্যবসায়ীরা এ ব্যাপারে আন্দোলন করলে গত ৬ অক্টোবর হাসপাতাল কর্তৃপ ও দিনাজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ইকবালুর রহিম ওই ওষুধের দোকানটি ৩০ অক্টোবরের মধ্যে তুলে দেয়ার আশ্বাস প্রদান করেন। কিন্তু এরপরেও ১৮ নভেম্বর থেকে সহিদুল ফার্মেসী পুনরায় খোলা হয়।
এ ব্যাপারে সমিতির দিনাজপুর শাখার সভাপতি আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন আহম্মেদ জানান, প্রশাসনসহ কর্তৃপ আমাদের দাবির আল্টিমেটামের ব্যাপারে কোন সমঝোতায় না আসায় আমরা বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ধর্মঘট পালন শুরম্ন করি। পরে বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসক জামাল উদ্দিন আহমেদের সাথে সমিতির নেতৃবৃন্দ ও ওষুধের দোকানদারদের একটি আলোচনা বৈঠক বসে। কিন্তু জেলা প্রশাসক আমাদের দাবিসমূহের ব্যাপারে আমাদের কোন সঠিক সিদ্ধানত্ম প্রদান না করায় আমরা বৈঠক থেকে উঠে এসেছি।
সমিতির দিনাজপুর শাখার সাধারন সম্পাদক হাবিবুর রহমান জানান, আমাদের দাবি মেনে না নেয়া পর্যনত্ম আমাদের কর্মসূচী অব্যাহত থাকবে। এ ব্যাপারে দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক জামাল উদ্দিন আহমেদ জানান, আমি ওষুধ ব্যবসায়ীদেরকে তাদের আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেয়ার জন্য বলেছি এবং মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অভ্যনত্মরে ওষুধের দোকানটি বন্ধ করে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছি। যদি কেউ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অভ্যন্তরে ওষুধের দোকান খুলে তাহলে আমি তার ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। তবে ওষুধ ব্যবসায়ীরা তাদের ধর্মঘট প্রত্যাহার করবে কি না এ ব্যাপারে তিনি কিছু জানাতে পারেননি। জেলা শহরে কোথাও ওষুধের দোকান খোলা না থাকায় চিকিৎসা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। বিপাকে পড়েছে রোগী ও তাদের আত্মীয়-স্বজনরা।
দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হারনিয়া রোগের চিকিৎসা নিতে আসা রোগী আফতাব জানান, দোকানগুলো খোলা না থাকায় আমার সঙ্গে আসা আমার আত্মীয়রা ওষুধ কিনতে পারছে না। আজ বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত আমার ওষুধ রয়েছে। ধর্মঘট চলতে থাকলে আগামীকাল আমি ওষুধ সেবন করতে পারবো না।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার দুপুরে দিনাজপুর জেলা কেমিষ্ট এন্ড ড্রাগিষ্টস্ সমিতি ওষুধের দোকানটি সরিয়ে নেয়ার দাবীসহ ৩ দফা দাবী জানিয়ে দিনাজপুর প্রেসকাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম দেয়। কিন্তু বুধবার পর্যন্ত কর্তৃপ কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করায় বুধবার সন্ধ্যায় সমিতির সদস্যরা তাদের নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে বৃহস্পতিবার সকাল ৭ টা থেকে ধর্মঘটে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। বুধবার রাতে ধর্মঘটের ব্যাপারে তারা শহরে মাইকিং করে। ##
Posted in অর্থনীতি, জেলার খবর, সদর
Posted on 23 November 2011. Tags: দিনাজপুরের সকল ঔষধের দোকান আজ থেকে অনিদিষ্টকালের ধর্মঘটে যাচ্ছে
স্টাফ রিপোর্টার (দিনাজপুর নিউজ ডট কম) ॥ আজ বৃহস্পতিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটে যাচ্ছে দিনাজপুর জেলা কেমিষ্ট এন্ড ড্রাগিষ্টস্ সমিতি।
দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিতরে সহিদুল ফার্মেসী নামের একটি ঔষধের দোকান রয়েছে কয়েক মাস ধরে। সমিতির দাবী এ দোকানটি তুলে দেয়ার। কারণ ভিতরে দোকান থাকার কারণে হাসপাতালের বাইরের ঔষদের দোকানদাররা তিগ্রস্থ হচ্ছেন। এই দোকানটি সরাতে গিয়ে এর আগে অপ্রীতিকর অবস্থারও সৃষ্টি হয়েছিল। ফলে বিষয়টি নিয়ে মামলা মোকদ্দমাও হয়েছে। এতে সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ আরো কয়েকজনকে আসামী করা হয়েছে। এ কারণে দিনাজপুর জেলা কেমিষ্ট এন্ড ড্রাগিষ্টস্ সমিতি ্ঔষধের দোকানটি সরিয়ে নেয়ার দাবীসহ ৩ দফা দাবী জানিয়ে মঙ্গলবার দিনাজপুর প্রেসকাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম দেয়। কিন্তু গতকাল বুধবার বিকেল ৪টায় সমিতির দিনাজপুর শাখার সভাপতি আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন আহম্মেদ জানান, আল্টিমেটামের বিষয়ে প্রশাসনসহ কোন প সমঝোতায় এগিয়ে আসেননি। ফলে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দিনাজপুরের সকল ঔষধের দোকান অনিদিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।##
Posted in অর্থনীতি, জেলার খবর, সদর
Posted on 21 November 2011. Tags: কাহারোলে ২০ বছরেও হয়নি পূর্নাঙ্গ ব্রীজ
কাহারোল (দিনাজপুর নিউজ ডট কম) ॥ দিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলার পূর্নভবা নদীর উপর নির্মিত বেইলী ব্রিজটি দীর্ঘদিন যাবত সংস্কার না হওয়ায় বীজের উপর দিয়ে জীবনের ঝূকি নিয়ে ভারি যানবহান চলাচল করছে। এতে যেমন জন দূভোগ বেরেছে তেমনী যে কোন সময় বীজটি ভেঙ্গে পড়ে প্রাণহানীর ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। জানা গেছে ১৯৯০ সালে বীজটি নির্মান করা হয় আজ পর্যন্ত এই বীজটি সংস্কার না করার ফলে অনেক অংশে নাট, বোল্ট, পাতি সহ নষ্ট হয়ে গেছে। প্রতিদিন এই ব্রীজের উপর দিয়ে কাহারোল থেকে ঢাকা গামী, কাহারোল হতে বীরগঞ্জ, তেতুলীয়া পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে শত শত যাত্রী বঝাই বাস ট্রাক নসিমন করিমন ভটভটি রিঙা, ভ্যান, আটো, চলা চল করে এই ব্রীজের উপর দিয়ে। সেখানে যাত্রীদের পারাপারে অসহহীন দূর্ভোগ প্রহাতে হয়। কারন হিসেবে দেখা গেছে বীজটি নির্মান করা হয়েছে শরু করে তাতে একটি বাস বা ট্রাক যাওয়ার সময় অপর দিক থেকে যে কোন একটি যানবাহন কে অপো করতে হয়। দীর্ঘদিন থেকে বেইলী ব্রিজটি সংস্কর না হওয়ায় জনদূভোর্গ বেড়েছে।
Posted in অর্থনীতি, কাহারোল, জেলার খবর
Posted on 20 November 2011. Tags: দিনাজপুর নিউজ ডটকম, হিলি স্থলবন্দর
স্টাফ রিপোর্টার (দিনাজপুর নিউজ ডটকম) ॥ ভারতীয় হিলি স্থলবন্দরের সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের ডাকা স্থলবন্দরে শনিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য আমদানী-রপ্তানী বন্ধের ঘোষণা স্থগিত করা হয়েছে। তাই গতকাল শনিবার থেকে স্থলবন্দরে আমদানী-রপ্তানী কার্যক্রম চালু রয়েছে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় ভারত অংশের হিলি এক্সপোর্টার ও সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সাথে কলকাতা কাস্টমস্ কমিশনোরের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।
হিলি এক্সপোর্টার ও সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক অশোক কুমার মন্ডল জানান, বৈঠকে উভয়পক্ষ আগের নিয়ম বলবৎ থাকার বিষয়ে একমত পোষণ করায় আমদানী-রপ্তানী কার্যক্রম বন্ধের ঘোষণা স্থগিত করা হয়েছে। তাই গতকাল শনিবার হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানী-রপ্তানী কার্যক্রম চলছে।
ভারতের মালদা কাস্টমস্ কমিশনার ভারতীয় হিলি কাষ্টমসকে সব ধরনের রপ্তানী পণ্যের কাগজপত্র মালদা কাস্টমস্ থেকে ছাড় করার নির্দেশ দেন। এর প্রতিবাদে সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থলবন্দর দিয়ে আমদানী-রপ্তানী বন্ধের ঘোষণা দেয়।
Posted in অর্থনীতি, জেলার খবর, হাকিমপুর
সাম্প্রতিক মন্তব্য